ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সিলেটের শিল্পকারখানায় কমছে উৎপাদন, লোকসানের মুখে ব্যবসায়ীরা
ব্যবসা-বাণিজ্য
প্রকাশঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ৯:৩১ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অংশীদারত্ব ক্রমেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেছেন, গভীর জনসম্পৃক্ততা, প্রাণবন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে দুই দেশের এই অংশীদারত্ব আরও দৃঢ় হচ্ছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সারাহ কুক বলেন, বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহায়তার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ও তাঁদের আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহায়তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুসহ বিস্তৃত পরিসরের অভিন্ন অগ্রাধিকার স্থান পেয়েছে।’
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি তুলে ধরে সারাহ কুক বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ও দীর্ঘদিনের যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে এ অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, প্রাণবন্ত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাও এ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি এ অংশীদারত্বকে উভয় দেশের জন্য সুনির্দিষ্ট ও বাস্তব সুফলে রূপ দিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।
তিনি বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমাদের শক্তিশালী অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং উভয় দেশের জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে আমি আগ্রহী।’
ব্রিটিশ হাইকমিশনার, হুমায়ুন কবির, সারাহ কুক, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক