ভাষা ও সাহিত্য গবেষক ড. সফিউদ্দিন আহমদ স্মরণসভা শনিবার
শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি
প্রকাশঃ ১০ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:০৪ অপরাহ্ন
দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ছিলটি লোক উৎসব-২০২৬। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সিলেট নগরীর আলী আমজাদের ঘড়ি এলাকা, কীনব্রীজ চাঁদনীঘাট ও সারদা হল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলে লোকগান, দামাইল, কবিতা, ছড়া, পুথি পাঠ ও নাটকসহ নানা পরিবেশনা।
সন্ধ্যায় সমাপনী সেশনে হাছনরাজা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিফতাহ সিদ্দিকী, মাহবুবুল হক চৌধুরী ও রায়হান হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন মো. সোলেমান হোসেন চুন্নু।
বক্তারা জানান, হাজার বছরের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে সিলেটিদের আলাদা আত্মপরিচয় গড়ে উঠেছে। মরমি কবি ও বাউল সাধকদের অবদানে সমৃদ্ধ হয়েছে সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি। তবে বিশ্বায়নের প্রভাবে লোকঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ঐতিহ্য রক্ষায় এ ধরনের উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। ভাষা, গান, আচার-অনুষ্ঠান ও লোকজ সংস্কৃতির মধ্যেই সিলেটের বৈচিত্র্য ও উদারতা প্রকাশ পায়। তাই এসব ঐতিহ্যকে ধারণ ও চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
উৎসবে লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ছয়জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন ড. সৈয়দ রাগীব আলী, ড. মমিনুল হক, মোস্তফা সেলিম, গোলজার আহমদ, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ও আয়াজ বাঙালি।
ছিলটি লোক উৎসব, লোকগান, দামাইল, আলী আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রীজ, চাঁদনীঘাট, সারদা হল