আল হারামাইন হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু: ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি
অনুসন্ধান
প্রকাশঃ ২০ আগস্ট, ২০২৫ ৯:১৩ অপরাহ্ন
সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর লুটপাট নিয়ে আলোচিত তদন্ত প্রতিবেদনে ১০ টি সুপারিশ করা হয়েছে। সাত পৃষ্টার এ তদন্ত প্রতিবেদনের মধ্যে এই লুটপাটে প্রশাসনের নির্দিষ্ট অংশ, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া সাদা পাথর লুটপাটে রাজনৈতিক নেতাদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও জানাযায়।
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সাত পৃষ্ঠার প্রতিবেদন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের নিকট জমা দেন।
গত ১২ আগস্ট সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। শুরুতে ১৭ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হলেও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কমিটি আরও তিন দিন সময় নেয়।
বুধবার জমা দেয়া এ তদন্ত প্রতিবেদনে কাউকে সরাসরি অভিযুক্ত না করে ১০ টি সুপারিশ করা হয়েছে, সাদা পাথর লুটে সম্পৃক্ত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাটি সুপারিশ করা রয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহের বলেন, প্রতিবেদনে ১০ টি সুপারিশ করা হয়েছে। এ তদন্তে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা থাকায় আমরা সেই সেই দপ্তরগুলো এসকল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে তিনি তদন্ত প্রতিবেদনের অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে অপারগতা দেখিয়ে বলেন, এ বিষয়ে নতুন জেলা প্রশাসক যোগদানের পরই বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)'র সদস্য সচিব আব্দুল করিম কিম সিলেট ভয়েসকে বলেন, জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার এবং ইউএনওকে বদলির মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যেই জনমনে পরিস্কার হয়েছে এই লুটপাটে প্রশাসনও জড়িত, তাই জেলা প্রশাসকেরই করা এ তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এছাড়া দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে যে সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম উঠে এসেছে আমি মনে করি এটিকে অনুসরণ করেই প্রশাসনেরও যারা জড়িত তাদের নামসহ তদন্তে প্রকাশ করা হোক।
সাদা পাথর, ভোলাগঞ্জ, সিলেট, তদন্ত, তদন্ত কমিটি