৩০ এপ্রিল ২০২৬

অনুসন্ধান

সিলেটে ছয় বছরে মায়ের গর্ভেই মারা গেছে ১০ হাজার শিশু

কুসংস্কার, মায়েদের অসচেতনতা ও পুষ্টিহীনতায় বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল; নেপথ্যে সিজারের ভয় ও চিকিৎসক সংকট

আহমেদ জামিল

প্রকাশঃ ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১০:৩১ অপরাহ্ন

ছবিঃ প্রতীকী ছবি

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই যুগেও সিলেট অঞ্চলে থেমে নেই মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যু। গত ছয় বছরে সরকারি হিসেবে সিলেট বিভাগে ১০ হাজারেরও বেশি শিশু পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মায়ের গর্ভে প্রাণ হারিয়েছে। 

 

সে হিসেবে প্রতিবছরে এ অঞ্চলে মাতৃগর্ভেই মারা যাচ্ছে দেড় হাজার শিশু। যাদের বয়স ২৬ সপ্তাহ থেকে ৩৮-৪২ সপ্তাহ। মারা যাওয়া শিশুদের বেশিরভাগ অংশই হাওরাঞ্চল, পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার। 

 

চিকিৎসকরা বলছেন, মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যুর ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ কারণই অজানা। এর কারণ হচ্ছে মৃত শিশুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেও কোনো ফল আসে না। আর অবশিষ্ট অংশের জন্য দায়ি কুসংস্কার, মায়েদের অসচেতনতা, পুষ্টির অভাব এবং দুর্গম অঞ্চলের অপ্রতুল যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

ন্যূনতম ৩০ সপ্তাহ গর্ভে ধারণের পর শিশু মারা যাওয়ায় একজন মা কেবল বাকরুদ্ধ হচ্ছেন তা নয়, বরং সমাজের চোখে তিনি অপরাধীও হচ্ছেন। অনেকে আবার সিজারের মাধ্যমে মৃত সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। এতে করে একজন মা তার স্বাভাবিক জীবনও হারিয়ে ফেলছেন। 

 

বছরের পর বছর এভাবে মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সিলেটের প্রতিটি জেলায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করলেও তদারকির অভাবে সেগুলোতে সেবা মিলছে না। 

 

তাছাড়া উপজেলা হাসপাতালগুলোতে গাইনি চিকিৎসক না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গর্ভবতী নারীরা। যার কারণে ঠেকানো যাচ্ছে না মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যুর মিছিল। 

 

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ছয় বছরে সিলেট বিভাগের চারটি জেলায় ১০ হাজার ১৮৮জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে মায়ের গর্ভে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি সুনামগঞ্জ জেলায়। হাওর অধ্যুষিত এ জেলায় একমাত্র দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত অনেক প্রান্তিক মানুষ।   

 

সরকারের তথ্য বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ছয় বছরে সুনামগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ৪৩৭ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ৩৭৯ জন, সিলেট জেলায় ১ হাজার ৪৪৬ জন ও মৌলভীবাজার জেলায় ৮৬৫জন।

 

এর বাইরে সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় বছরে আরও ৩ হাজার ৬১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে মায়ের গর্ভেই। এই হাসপাতালে বিভাগের চার জেলার রোগীরা সেবা নিয়ে থাকেন। যার কারণে তাদের হিসাব জেলার পরিসংখ্যানের বাইরে।

 

এ তো সরকারি তথ্য। এর বাইরে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল এমনকি বাসা বাড়িতে মাতৃগর্ভে অনেক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। যার হিসাব উঠছে না সরকারের খাতায় নেই। 

 

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কানাইঘাট উপজেলার কাড়াবাল্লা গ্রামের তান্নি আক্তার (ছদ্মনাম) প্রসব ব্যথা নিয়ে যান পার্শ্ববর্তী জকিগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি এনজিও সীমান্তিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানে দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মীরা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রসবের জন্য প্রায় ৩০ ঘন্টা চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওই নারীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সিজারের ভয়ে ওসমানী হাসপাতালে যেতে রাজি হননি ওই নারী। শেষ পর্যন্ত তার গর্ভেই মারা যায় শিশুটি।

 

গত জানুয়ারি মাসে সিলেট নগরীর সুবিদবাজার বনকলাপাড়া এলাকায় গর্ভধারণের সাড়ে ছয় মাসের মাথায় ব্যাথা অনুভব করেন আছিয়া নামে এক নারী। তার স্বজনরা তাৎক্ষণিক দাই দিয়ে বাড়িতে সন্তান প্রসবের চেষ্টা করেন। 

 

বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বাড়ির মালিক তাদেরকে জোরপূর্বক দ্রুত ওসমানী হাসপাতালে পাঠান।


সেখানে নেওয়ার পর পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান গর্ভের অপরিপক্ষ শিশুটির অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। দ্রুত সিজারের পরামর্শ দেন। অবস্থার মধ্যে আছিয়া বেগম চিকিৎসকদের সহযোগীতায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। 

 

পরে দীর্ঘ ২০ দিনের প্রচেষ্ঠায় অপরিপক্ষ শিশুটিকে কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় এনে বাড়িতে পাঠান চিকিৎসকরা।

 

এ দুটি ঘটনায় যেমন কুসংস্কার ও রোগীদের অসচেতনতার বিষয় ওঠে এসেছে। ঠিক তেমনি ওঠে এসেছে চিকিৎসকদের প্রতি মানুষের ভয়ের চিত্রও।  

 

সিলেটে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার বেড়ে যাওয়ায় অনেক নারীই চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে চান না। যার কারণে আধুনিক চিকিৎসার পরিবর্তে ওঝা-ফকিরের ঝাড়ফুঁক ও ভেষজ ওষুধের ওপর ভরসা করেন অনেকেই। 

 

অনেক এলাকায় সিলেটের অনেক এলাকায় গর্ভাবস্থার খবর জানাজানি হওয়াকে ‘পাপ’ বা ‘অমঙ্গল’ মনে করা হয়। এতে করে সঠিক চিকিৎসার অভাবে মায়ের গর্ভেই মারা যাচ্ছে অনাগত শিশু। 

 

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লোভাছড়া এলাকার বাসিন্দা এক নারী জানান, লোকলজ্জার ভয়ে অনেক সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীদের চিকিৎসকের কাছে নিতে চান না পরিবারের সদস্যরা।

 

এমনকি পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের চাপে অনেক নারী ওঝা-ফকিরের ঝাড়ফুঁক ও ভেষজ ওষুধের ওপর ভরসা করতে হয়। আবার অনেক সময় পরিবারের অমতের কারণেও গর্ভবতী মায়েরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে পারেন না। 

 

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বেসরকারি চাকরিজীবি কামরুল আলম বলেন, ‘আমার উপজেলাসহ জেলা শহরেও ভালো গাইনি কোনো চিকিৎসক নেই। বাধ্য হয়ে আগেভাগেই স্ত্রীকে নিয়ে সিলেট শহরে চলে আসি। পরে সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তান হয়েছে। 

 

যদি এলাকায় থাকতাম তাহলে বড় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারতো-যোগ করেন তিনি।

 

অবশ্য, শুধু চিকিৎসক সংকটের কারণ ছাড়াও অধিকাংশ মানুষের অসচেতনতার কারণে মাতৃগর্ভে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। 

 

সিলেটের গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক রাশিদা আখতার বলেন, অনেকে মনে করেন বাচ্চা ভালো আছে, তাই তারা চেকআপ করান না। একদম শেষ মুহূর্তে যখন সমস্যা জটিল হয়, তখন চিকিৎসকদের আর কিছু করার থাকে না। এছাড়া প্রায় ২৫-৩৫ শতাংশ শিশুর মৃত্যু ঘটছে অজানা কারণে, যা নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।  

 

নারীদের অসচেতনতা ও পুষ্টিহীনতা কথা উল্লেখ করে ডা. রাশিদা বলেন, গর্ভকালীন সময়ে একজন মায়ের অন্তত চারবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, যা গ্রামীণ পর্যায়ে অনেকেই মানছেন না। এ অবস্থায় মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যুর হার কমাতে মায়েদের স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি ‘প্রি-কনসেপশন’ ও ‘ডিউরিং প্রেগনেন্সি’ এই দুই বিষয়ে গুরুত্বের কথা বলেন তিনি। 

 

সুনামগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো প্রসবপূর্ব নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভাব। তাছাড়া সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, শাল্লা, ধর্মপাশা এবং দোয়ারাবাজারের মতো দুর্গম এলাকাগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান এবং অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে গর্ভবতী মায়েদের পক্ষে হাসপাতালে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। বছরের প্রায় ছয় মাস এসব এলাকা বন্যায় বা স্বাভাবিক পানিতে প্লাবিত থাকে, যা স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

 

তিনি আরও বলেন, অঞ্চলের মানুষের মাঝে শিক্ষার হার কম হওয়া এবং দারিদ্র্যের কারণে অনেকে গ্রাম্য দাই বা কবিরাজদের ওপর নির্ভরশীল থাকে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে একদম শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আনা হয় যখন চিকিৎসকদের পক্ষে মা বা শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। 

 

ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্যখাতে তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। গত ২-৩ বছর ধরে সারা বাংলাদেশের মধ্যে এই বিভাগেই ডাক্তার ও নার্সের শূন্য পদের হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলের মানুষজন সাধারণত বিদেশমুখী হওয়ায় স্থানীয়রা স্বাস্থ্যখাতে কাজ করতে আগ্রহী হন না এবং বাইরে থেকে যারা নিয়োগ পেয়ে আসেন, তারা তদবির করে দ্রুত বদলি হয়ে চলে যান।

 

গর্ভবতী মায়েদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা প্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য শিক্ষা দিচ্ছেন এবং গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে নিয়মিত 'মা সমাবেশ' বা সেশনের আয়োজন করা হচ্ছে। 

 

সিলেট বিভাগে ছয় বছরের পরিসংখ্যান


সিলেট জেলার ১৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ছয় বছরে ১ হাজার ৪৪৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারমধ্যে ২০২০ সালে ২৫৫ জন, ২০২১ সালে ২৫৫ জন, ২০২২ সালে ২৭৬ জন, ২০২৩ সালে ২১৬ জন, ২০২৪ সালে ২৪৫ জন ও ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১৯৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

সুনামগঞ্জ জেলায় ২০২০ সালে ৩৫০ জন, ২০২১ সালে ৩১০ জন, ২০২২ সালে ৪২৯ জন, ২০২৩ সালে ৪৬০ জন, ২০২৪ সালে ৪৮৫ জন ও ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৪০৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

হবিগঞ্জ জেলায় ২০২০ সালে ৪৬৮ জন, ২০২১ সালে ৫২৮ জন, ২০২২ সালে ৩৮০ জন, ২০২৩ সালে ৩৪৩ জন, ২০২৪ সালে ৩৫৫ জন ও ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৩০৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

মৌলভীবাজার জেলায় ২০২০ সালে ১২৯ জন, ২০২১ সালে ১৫৬ জন, ২০২২ সালে ১৮৫ জন, ২০২৩ সালে ১৫৬ জন, ২০২৪ সালে ১২০ জন ও ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১১৯জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

চার জেলার পরিসংখ্যানকে হার মানিয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য। এই হাসপাতালে গত ছয় বছের মাতৃগর্ভে ৩ হাজার ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

তার মধ্যে ২০২০ সালে ৩৮৪ জন, ২০২১ সালে ৪১৭ জন, ২০২২ সালে ৩৬৪ জন, ২০২৩ সালে ৫৮৩ জন, ২০২৪ সালে ৫০৯ জন ও ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৮০৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

 

ব্যতিক্রম ওসমানী হাসপাতাল


গর্ভের শিশুর মৃত্যুর খবর একজন মাকে কতটা আহত করে, কেবল মা ছাড়াই আর কেউ বুঝবে না। এই কষ্ট আরও বহুগুণে বেড়ে যখন সিজারের মাধ্যমে মৃত শিশুর জন্ম দিতে হয় সেই মাকে। 

 

সিলেটের অনেক বেসরকারি হাসপাতালে অর্থের লোভে মৃত শিশুকে সিজারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম সিলেট এম এজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মাতৃগর্ভে মারা যাওয়া কোনো মায়ের সিজার করেন না চিকিৎসকরা।

 

বড় ধরণের ঝুঁকি না থাকলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে মৃত শিশুকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রসব করানো হয়। 

 

সিলেট এম এজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, মাতৃগর্ভে শিশু মারা গেলে তা প্রসব করানোর একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আছে এবং সে ক্ষেত্রে সাধারণত সিজার করা হয় না। মৃত শিশুর ক্ষেত্রে তিনদিন অপেক্ষা করতে হয়। এরমধ্যেই বাচ্চাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়ে যায়। 

 

তিনি বলেন, অনেক সময় মায়েরা গর্ভে মৃত শিশু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে দ্রুত সিজার করার অনুরোধ করেন। কিন্তু আমাদের হাসপাতালে তা করা হয় না। 

 

ডা. মাহবুব বলেন, যদিও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চেষ্টা শুরুর দ্বিতীয় দিনেই হয়তো স্বাভাবিকভাবে প্রসব হয়ে যায়। তবুও অনেক রোগী বন্ড সই দিয়ে হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ নিয়ে বাইরে চলে যান।


শেয়ার করুনঃ

অনুসন্ধান থেকে আরো পড়ুন

সিলেটে মাতৃগর্ভে মৃত্যু, সুনামগঞ্জ হাওর স্বাস্থ্যসেবা, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গর্ভকালীন সচেতনতা, সিলেট স্বাস্থ্য সংকট

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ