দিরাইয়ে মদসহ আটক এক
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১০ এপ্রিল, ২০২৫ ১:২৮ পূর্বাহ্ন
সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল থেকে ডমিনোজ পিৎজার দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৭০০ থেকে ৮০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করেন ডমিনোজের শাখা ব্যবস্থাপক আল আমিন।
এর আগে মঙ্গলবার মীরবক্সটুলা এলাকার রয়্যাল মার্ক হোটেলে হামলার ঘটনায় হোটেল ব্যবস্থাপক আবদুল মতিন সরকার একটি মামলা করেন। এই মামলায় গত দুই দিনে মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার নতুন করে তিনজন এবং আগের দিন ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাটা শোরুমে হামলার ঘটনায় আরও একটি মামলা প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে।
সোমবার বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৩টি দোকান, রেস্তোরাঁ, সুপারশপ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আরও কিছু এলাকায়ও বিচ্ছিন্নভাবে লুটপাট হয়েছে। এসব হামলা হয়েছে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ মিছিল থেকে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জিয়াউল হক জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড চেয়ে বুধবার আদালতে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “রয়্যাল মার্ক হোটেলে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার ২১ জনের মধ্যে সাত থেকে আটজনকে সিসিটিভি ফুটেজে ভাঙচুর করতে দেখা গেছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্তত ৫০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে অধিকাংশই পথচারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক, নির্মাণ শ্রমিক, রেস্টুরেন্টকর্মী, ফল বিক্রেতা ও কিছু ভবঘুরে তরুণ। তাঁদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
পুলিশ বলছে, কারা পরিকল্পিতভাবে এসব হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে কিংবা উসকানি দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, হামলার প্রতিবাদে বুধবার সিলেট নগরের বন্দরবাজার এলাকায় হাসান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এক ঘণ্টার জন্য দোকান বন্ধ রেখে মানববন্ধন করেছেন। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে কয়েক শ ব্যবসায়ী অংশ নেন। তাঁরা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালানো হামলার নিন্দা জানান।
সিলেট, ডমিনোস পিৎজা, ভাংচুর, হামলা, মামলা