নবীগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ৩০ মার্চ, ২০২৬ ৫:৪৮ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের শাল্লায় একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান ও এক ইউপি সদস্যের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে শাল্লা উপজেলার ৩ নম্বর বাহাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টরা হলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহদেব দাস।
এদিকে হাতাহাতির ঘটনায় আহত হওয়ায় চেয়ারম্যান ও তার ভাই শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরীর অভিযোগ, ইউপি সদস্য সহদেব দাসের কাছ থেকে তিনি ২০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। পরে টাকা ফেরত চাইতে এসে সহদেব দাস তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এতে তিনি আহত হয়ে পড়েন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও একই ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মধু দাস বলেন, ‘সহদেব দাস চেয়ারম্যানের গায়ে হাত তুলেছেন—এটা সত্য। পরে আমরা দুজনকে এসব থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করি।’
তবে ইউপি সদস্য সহদেব দাস চেয়ারম্যানের অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যানের কাছে সাড়ে চার লক্ষ টাকা পাই। এছাড়াও এক মহিলাকে চাকরি দেওয়া জন্য চেয়ারম্যানকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম। সেই টাকা চাওয়া মাত্রই চেয়ারম্যান আমাকে মারধর করে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বাজারের অন্য একটি ঘরে আশ্রয় নিলেও চেয়ারম্যানের লোকজন আমাকে হামলা করার জন্য খোঁজাখুজি করেছে। এখন আমি বাড়িতে চলে এসেছি।’
শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজিব বিশ্বাস বলেন, ‘চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু ও তাঁর ভাই জুয়েল চৌধুরী আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুজনই হাসপাতালে ভর্তি আছেন।’
এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শাল্লা, সুনামগঞ্জ চেয়ারম্যান-সদস্যের হাতাহাতি, হাসপাতালে ভর্তি