বানিয়াচংয়ে জমিয়ত নেতার পিতার মৃত্যুতে এমপি’র শোক
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১:২৬ পূর্বাহ্ন
সাম্প্রতিক সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় তাহিরপুর থানায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইজারাদারের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়েছে।
দুটি মামলাতেই লাউড়েরগড় ও শাহিদাবাদ এলাকায় নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ করা হয়েছে। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৮৮ জনকে। অজ্ঞাত আসামি আরো ৫০ জন। তবে মামলায় আসামিদের নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে মামলায় প্রকৃত দোষীদের আড়াল করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) যাদুকাটা নদীর মিয়ারচর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী লোকজন ও নিরীহ শ্রমজীবী মানুষেরা। এসময় অন্তত দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রকৃতপক্ষে যারা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত অদৃশ্য কারণে মামলা থেকে তাঁদের আড়াল করা হয়েছে। উল্টো সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে গণহারে মামলার আসামি করে হয়রানি করা হচ্ছে। তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে যে-সব লোক এলাকার বাহিরে অবস্থান করছে, যাদের নদীতে বালু উত্তোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই এসব লোকদেরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। বক্তৃতারা দাবি জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাই করে নিরীহ মানুষদের এ মামলা থেকে বাদ না দিলে সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিবেন তাঁরা।
এদিকে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকায় বসবাসরত লাউড়েরগড় গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে। যিনি পেশায় একজন আলোকচিত্রী। তিনি একটি গণমাধ্যমেকে জানান, আমি বালু লুটের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। সবাইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলাম। মামলার বাদী পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাও নদী তীরে দাঁড়িয়ে আমার কাছ থেকে তথ্য নিয়েছেন, এখন দেখি আমিই আসামি। আমি বিস্মিত, হতবাক।'
এর প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোহাইমিনুল হক জানিয়েছেন, মামলায় যাঁদের আসামি করা হয়েছে, যাচাই-বাছাই করেই হয়েছে। একটি নাম নিয়ে যেহেতু আলোচনা হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে আবারও খোঁজ নেওয়া হবে।
যাদুকাটা, বালুলুট, মামলা, মানববন্ধন