১১ জুন ২০২৬

বিশ্বজুড়ে

সিলেটি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ শেফ টমি মিয়াকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য বায়োপিক

সিলেট ভয়েস ডেস্ক

প্রকাশঃ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৩:৪৭ অপরাহ্ন

ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী 'কারি কিং' নামে পরিচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ শেফ টমি মিয়া এবার বড় পর্দায়। তাঁর জীবনের সংগ্রাম, আন্তর্জাতিক অর্জন ও রন্ধনশিল্পে অসামান্য অবদানের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য বায়োপিক।

এই ছবিতে টমি মিয়ার চরিত্রে অভিনয় করবেন তরুণ অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন। ঘোষণা আসার পর থেকেই দেশের জাতীয় বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও অনলাইন পোর্টালে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। মাত্র ১০ বছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে ব্রিটেনে চলে যান সিলেটের টমি মিয়া। ছাত্রাবস্থায় একটি রেস্তোরাঁয় থালা-বাসন ধোয়ার কাজ দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু। সে সময় সিদ্ধান্ত নেন রান্নাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার। 
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। হয়ে ওঠেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শেফ। বাংলাদেশের রন্ধনশিল্পীদের নিয়েও কাজ করেছেন তিনি। ঢাকা, সিলেটসহ বেশ কয়েকটি স্থানে টমি মিয়াস হসপিটালিটি ইনস্টিটিউট থেকে গড়ে তুলেছেন আন্তর্জাতিক মানের শেফ।

টমি মিয়া বলেন, ‘আমার জীবনকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছেড়এটা আমার জন্য গর্বের মুহূর্ত। আমি যেভাবে শূন্য থেকে শুরু করে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছি, সেই যাত্রা হয়তো অনেককে সাহস দেবে। সাজ্জাদকে আমার চরিত্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাকে আনন্দিত করেছে। সে চরিত্রের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করছে, আমি তার ওপর ভরসা রাখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি খাবারকে বিশ্বে পরিচিত করা আমার আজীবনের মিশন ছিল। আশা করি এই চলচ্চিত্র আমাদের দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করবে।’

চরিত্রটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘টমি মিয়া স্যার শুধু একজন শেফ নন; তিনি একটি ব্র্যান্ড, একটি ইতিহাস। তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সম্মান। চরিত্রের গভীরে যাওয়ার জন্য আমি তাঁর কণ্ঠ, আচরণ, রান্নার ধরনসবকিছু শিখছি। এই ভূমিকা আমার কাছে শুধু অভিনয় নয়, এটা আমার দায়িত্ব।’

যাতে পর্দায় সত্যিকারের টমি মিয়াকে দেখতে পান। পুরো টিম খুব যত্ন নিয়ে কাজ করছে। অভিনয়ে আসার আগে সাজ্জাদ নিজেও কাজ করেছেন শেফ হিসেবে। ২০০৭ সালে টমি মিয়াস ইনস্টিটিউট ম্যানেজমেন্ট থেকে ট্রেনিং করেন সাজ্জাদ। এরপর লন্ডনের রেস্টুরেন্টে কাজ করেছেন শেফ হিসেবে। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের টানে চলে আসেন দেশে।

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, '২০০৭ সালে কোর্স করার সময় টমি ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়। এই পরিচয় তাঁর জীবনী নিয়ে সিনেমা করতে কাজে লাগবে আমার। শুটিং পরিকল্পনা চিত্রায়ণ হবে ঢাকা, সিলেট, লন্ডন ও এডিনবরায়, যেখানে টমি মিয়ার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো অতিবাহিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞরা যুক্ত হয়েছেন এই চলচ্চিত্রে। ঘোষণা প্রকাশের পর থেকেই বায়োপিকটি নিয়ে দেশ-বিদেশে আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকরা অপেক্ষা করছেনড়কভাবে 'কারি কিং টমি মিয়ার অসাধারণ জীবনগাথা ফুটে উঠবে বড় পর্দায় ।


শেয়ার করুনঃ

বিশ্বজুড়ে থেকে আরো পড়ুন

সিলেটি বংশোদ্ভূত, ব্রিটিশ শেফ, টমি মিয়া, পূর্ণদৈর্ঘ্য, বায়োপিক

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ