দিরাইয়ে মদসহ আটক এক
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১০ এপ্রিল, ২০২৫ ৯:২৭ পূর্বাহ্ন
সিলেট নগরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আরও একটি মামলা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করেন বাটার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোস্তাসিম বিল্লাহ। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাত ১১টার দিকে দুটি চুরি হওয়া বাটা জুতাসহ দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত সোমবার বিকেলে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে সিলেট নগরে একটি বিক্ষোভ মিছিল থেকে অন্তত ১৩টি দোকান, রেস্তোরাঁ, সুপারশপ ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বিকেল চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত নগরের ব্যস্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ১৩টির বাইরেও নগরের আরও কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে লুটপাট হয়েছে।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোতোয়ালি থানায় চারটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রয়্যাল মার্ক হোটেলের ব্যবস্থাপক আবদুল মতিন সরকার প্রথম মামলা করেন। এতে পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
বুধবার দুপুরে দরগাগেট এলাকায় অবস্থিত ডমিনোজ পিৎজায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় শাখা ব্যবস্থাপক আল আমিন বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা ৭০০-৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
ওসি জিয়াউল হক বলেন, “প্রতিটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার সময়কার ভিডিও ফুটেজ আমাদের হাতে রয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দোষীদের শনাক্ত করা হয়েছে। এখন অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।”
সিলেট, বিক্ষোভ, হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, মামলা, বাটা