২৯ মে ২০২৬

ধর্ম / ইসলাম

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও সিলেটে কোরবানির ব্যস্ততা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ২৯ মে, ২০২৬ ১২:৪৭ অপরাহ্ন


ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। ঈদের দিন কসাই সংকট, অতিরিক্ত ব্যস্ততা কিংবা ব্যক্তিগত কারণে যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তাদের অনেকেই শুক্রবার সকালে পশু কোরবানি করেন।


সকাল থেকে নগরীর বাগবাড়ি, উপশহর, শিবগঞ্জ, সুবিদবাজার ও আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকায় পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ চলতে দেখা যায়। কোথাও পরিবার-পরিজন মিলে মাংস ভাগাভাগি করছেন, কোথাও আবার কসাইদের সহায়তায় চলছে পশু প্রস্তুতের কাজ। অনেককে প্রথম দিনের তুলনায় তুলনামূলক স্বস্তিতে কোরবানি সম্পন্ন করতে দেখা গেছে।


নগরীর আম্বরখানা এলাকার বাসিন্দা শামিম আহমদ বলেন, ঈদের প্রথম দিনে অতিরিক্ত চাপের কারণে কসাই পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া নানা ধরনের ব্যস্ততাও থাকে। তাই অনেকে পরের দিন কোরবানি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।


উপশহরের বাসিন্দা জাকি আলম জানান, তাদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরেই ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।


কসাই মোবারক মিয়া বলেন, ঈদের দিন তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছয়টি গরু জবাই করেছেন। প্রথম দিনে কাজের চাপ ও ঝামেলা বেশি থাকে। তবে ঈদের পরের দিন তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে কাজ করা যায়।


ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানি করা যায়। ফলে কোনো কারণে ঈদের দিন কোরবানি সম্ভব না হলে পরবর্তী দুই দিনেও কোরবানি আদায় বৈধ।


এদিকে, প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানিকে কেন্দ্র করে সিলেটে এসেছেন বিভিন্ন জেলার মৌসুমি কসাইরা। কয়েক দিনের জন্য তারা নগরীতে অবস্থান করে পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঝারি ও বড় আকারের একটি গরু জবাই ও প্রস্তুতে কসাইদের মজুরি গুনতে হচ্ছে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ছাগল প্রস্তুতে নেওয়া হচ্ছে ১ থেকে ৩ হাজার টাকা। পশুর আকার ও এলাকাভেদে এই মজুরিতে কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে।


শেয়ার করুনঃ

ধর্ম থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, ঈদুল আজহা, কোরবানি, ঈদের দ্বিতীয় দিন, সিলেট নগরী

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ