৩০ বছরেও পাকা হয়নি বেরী গ্রামের রাস্তা
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৫ মে, ২০২৬ ৯:৩০ অপরাহ্ন
‘ভোটের সময় সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়। এমপি-মন্ত্রী, চেয়ারম্যান-মেম্বার বদলায়, কিন্তু আমাদের গ্রামের রাস্তার ভাগ্য বদলায় না। নির্বাচন শেষ হলেই আর কেউ খোঁজ রাখে না।’
আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের বেরী গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বাসিন্দা ফয়জুল হক। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে গ্রামের প্রধান সড়কটি কাঁচাই রয়ে গেছে। ফলে বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদায় পরিণত হয়। তখন যান চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। তাদের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের উদ্যোগ না নিলে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
গ্রামের বাসিন্দা হাফিজ ক্বারি জাবেদ হোসাইন বলেন, ‘বহু বছর ধরে রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে ভোগান্তি বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে বোরো ধান ঘরে তুলতেও চরম সমস্যায় পড়তে হয় কৃষকদের।’
আরেক বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বৃষ্টির সময় অনেক ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। কৃষকেরা সময়মতো ফসল বাজারে নিতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।’
দোয়ারাবাজার উপজেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, ‘রাস্তাটি বিষয়ে আমি অবগত নই, খোঁজ নিয়ে দ্রুত পাকাকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দোয়ারাবাজার, দুর্ভোগ, রাস্তাঘাট, গ্রাম