সিলেটে হাম পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই, নির্ভরতা ঢাকার উপর
যাপিতজীবন
প্রকাশঃ ২৯ মার্চ, ২০২৬ ৭:৫০ অপরাহ্ন
হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। হাম সাধারণত শিশুকালেই বেশি দেখা দেয়, তবে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই রোগটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য হলেও অবহেলায় এটি প্রাণঘাতী জটিলতা তৈরি করতে পারে।
হাম মূলত শিশুদের রোগ হিসেবে পরিচিত হলেও যেকোনো বয়সের মানুষের এটি হতে পারে। বিশেষ করে যাদের ছোটবেলায় হাম হয়নি বা যারা প্রতিষেধক টিকা নেননি, তারা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। বর্তমানে হামের প্রতিষেধক হিসেবে ‘এমএমআর’ (MMR) ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর। সাধারণত একবার হাম হলে শরীরে এর বিরুদ্ধে স্থায়ী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, ফলে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। তবে এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
হামের লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসক শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত করবেন এটি হাম কিনা। সাধারণত সঠিক যত্নে ৩ দিনের মধ্যে জ্বর কমে আসে এবং ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।
হাম আক্রান্ত রোগীর জন্য পূর্ণ বিশ্রাম অপরিহার্য। সংক্রমণের বিস্তার রুখতে রোগীকে আলাদা ঘরে রাখা এবং ঘর থেকে বের না হওয়াই ভালো। এ সময় শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস এবং তরল খাবার দিতে হবে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে।
সময়মতো হামের চিকিৎসা বা যত্ন না নিলে এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের টিকার দুটি ডোজ সম্পন্ন করা এবং যেকোনো উপসর্গে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সঠিক সচেতনতাই পারে আপনার শিশুকে হামের হাত থেকে রক্ষা করতে।
সিলেট, হাম, লক্ষণ, করণীয়,