সিসিকের ৭ স্বাস্থ্যকেন্দ্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত
যাপিতজীবন
প্রকাশঃ ১২ মে, ২০২৬ ২:০৭ অপরাহ্ন
সিলেটে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুতর রোগীদের জন্য চালু হয়েছে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চালু করা হয়েছে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ)।
গতকাল সোমবার বিকেলে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৮ শয্যার হামের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। এর আগে গত এপ্রিল মাসের ৬ তারিখ ওসমানী হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার চালু করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এবার তা বেড়ে ৩৮ করা হয়েছে। হাসপাতালটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে , সিলেটে হামে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রায় ৫৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম বলেন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিট পুরোপুরি পূর্ণ হয়ে গেছে। তাই রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিতে ওসমানী হাসপাতালে নতুন ইউনিট চালু করা হয়েছে।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, হামের প্রকোপ বাড়ার পর গত ২৩ ও ২৪ এপ্রিল থেকে বিশেষ রোগী ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১০০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়। পরবর্তীতে রোগীর চাপ বাড়ায় ধাপে ধাপে চিকিৎসা সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ২ মে ওসমানী হাসপাতালে ১০ শয্যার পিআইসিইউ চালু করা হয়। একই সময়ে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৭ শয্যার এইচডিইউ ইউনিট চালু করা হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার ওসমানীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন ৩৮ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার চালুর মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সিলেট, হাম রোগ, আইসোলেশন সেন্টার, পিআইসিইউ, এইচডিইউ