সপ্তাহে তাপমাত্রায় রেকর্ড, বাতাসের মানও অস্বাস্থ্যকর
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ১৫ মে, ২০২৫ ১০:২৪ অপরাহ্ন
সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলে আগামী তিন দিনে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে সুরমা-কুশিয়ারা, যাদুকাটা, সারি, মনু, খোয়াই ও ধনু-বাউলাইসহ নদ-নদীগুলোর পানি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এই পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে। বুধবার (১৫ মে) জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
বৃহস্পতিবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান সাক্ষরিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভাগের চার জেলার নদীগুলোর পানি এখনও প্রাক-মৌসুমি সতর্কসীমার নিচে থাকলেও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় পার্শ্ববতী জেলা নেত্রকোনার জারিয়াঞ্জাইলে ৯৮ মিলিমিটার, সিলেটের লালাখালে ৭৯ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের লাউড়েরগড় ও মহেশখোলায় যথাক্রমে ৫০ ও ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
একই সময়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ৫৬ মিলিমিটার ও শিলংয়ে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবোর সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের সীমান্তসংলগ্ন প্রদেশ মেঘালয় ও আসামে আগামী ৭২ ঘন্টার অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে বলে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিলেট কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ শাহ মোঃ সজিব হোসাইন জানিয়েছেন বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে ৮৯ মিলিমিটার অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও সিলেট অঞ্চলের আকাশে মেঘ রয়েছে যা আরো বিস্তার লাভ করে এই অঞ্চলে বজ্রপাতসহ ঝড় ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সিলেট, হাওরাঞ্চল, বন্যা সতর্কতা, ভারী বৃষ্টিপাত, সুনামগঞ্জ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্যা পূর্বাভাস, সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, যাদুকাটা, মনু নদী, খোয়াই নদী, ধনু নদী, লালাখাল, লাউড়েরগড়, চেরাপুঞ্জি, মেঘালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, আকস্মিক বন্যা,