হাওরের ফসল ১০-১২ দিনে কাটা শেষ হবে, জ্বালানি সংকট নেই: সুনামগঞ্জের ডিসি
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৩ মে, ২০২৫ ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেছেন, 'আপনাদের পরিশ্রমে সোনার ফসল ঘরে উঠেছে। এখন খেয়াল রাখবেন, ছেলেমেয়েরা যেন ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুল কামাই না করে।'
তিনি বলেন, 'ধান রোপণ থেকে ঘরে তোলা পর্যন্ত অনেক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা কৃষিকাজে সহায়তা করেছে। এতে তারা পড়াশোনায় পিছিয়ে গেছে। এখন যেহেতু ফসল ঘরে উঠে গেছে, তারা যেন নিয়মিত স্কুলে যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।'
মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় তাহিরপুর উপজেলার শনির হাওরে ফসল কর্তন সমাপনী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, 'বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা থাকলেও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাওরে শতভাগ বোরো ধান কর্তন সম্ভব হয়েছে। এটা শুধু সুনামগঞ্জ নয়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।'
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, আনিসুল হক, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন, তাহিরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী, জেলা বিএনপি নেতা শেরেনূর আলী, কৃষি উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পাল, সাংবাদিক দেওয়ান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ও বাবরুল হাসান বাবলু প্রমুখ।
প্রান্তিক কৃষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সাফায় মিয়া ও জহুর আলম। পরে কৃষক ও তাঁদের সন্তানদের মধ্যে ছাতা, ব্যাগ ও বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে কৃষক, রাজনীতিবিদ ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সুনামগঞ্জ ফসল কর্তন উৎসব, হাওর বোরো ধান কাটা, শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরানো,