২৩ এপ্রিল ২০২৬

দৈনন্দিন / গ্রামবাংলা

মৃত্যুর দুই দিন পর মরদেহ ফেরত দিল ভারত

প্রতিনিধি, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ

প্রকাশঃ ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৭:৩৫ অপরাহ্ন


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ভারত সীমান্তে মৃত্যুর দুই দিন পর বাংলাদেশি নাগরিক আহাদ মিয়ার (৪০) মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। 

 

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার নরসিংপুর ইউপি'র লাফার্জ সীমান্ত দিয়ে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ"র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে।

 

নিহত আহাদ মিয়া উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের তেরাপুর গ্রামের আপ্তর আলী'র ছেলে। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ভারতের মেঘালয়ের কালাটেক বস্তি এলাকা হতে আহাদ মিয়া'র মরদেহ উদ্ধার করে বিএসএফ।

 

 গত ১৪ ডিসেম্বর বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে ব্যবসায়িক কাজে বের হন আহাদ। পরবর্তীতে অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

পরে ১৫ ডিসেম্বর সকালে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির বরাতে জানতে পারেন ভারতের মেঘালয়ের কালাটেক বস্তি সীমান্ত এলাকায় একটি মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। বিএসএফ'র সহযোগীতায় লাশ এর পরিচয় নিশ্চিত করে বিজিবি। পরে ওইদিন বিকেলে লাশটি ভারতের চেলা পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলং টাউন সরকারি হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে বুধবার আহাদ মিয়া'র মরদেহ ফেরত দেয় বিএসএফ

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহাদ মিয়া ছিলেন সীমান্তে গরু-মহিষের একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসায়িক লেনদেনজনিত কারণে আততায়ীর হাতে তিনি নিহত হতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

 

দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, মরদেহ বুঝে পেয়েছি, ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত, সীমান্ত হত্যা, মরদেহ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ