ধান পচে গন্ধ, হাওরে ডুবছে স্বপ্ন: চরম দুশ্চিন্তায় জগন্নাথপুরের কৃষক
কৃষি
প্রকাশঃ ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১:০১ অপরাহ্ন
শিম আমাদের দেশের জনপ্রিয় একটি সবজি। খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টি গুনে ভরপুর। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এই বছর শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনেক কৃষক শিম চাষ করে লাভবান হবার স্বপ্ন দেখছে। মাধবপুরে উৎপাদিত শিম যাচ্ছে সারা দেশে। ঢাকা , সিলেট, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সহ বিভিন্ন যাইগার পাইকাররা এসে শিম কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর , নোয়াপাড়া, শাহজাহানপুর , চৌমুহনী ,বহরা ইউনিয়নে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে জগদীশপুর ইউনিয়নে শিম চাষের নিরব বিপ্লব হয়েছে। এই বছর মাধবপুর উপজেলায় শিম খরিপ -২ আর রবি মৌসুমে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭০ হেক্টর। এর মধ্যে জগদীশপুর ইউনিয়নে ৩০ হেক্টর ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নে ২০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে।
মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের বড় ধলিয়া গ্রামের কৃষক ধনু মিয়া জানান, এই বছর তিনি ৯০ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। ২৫-৩০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। এই পর্যন্ত এক লাখ টাকার মত বিক্রি হয়েছে। আরো লাখ টাকার মত বিক্রি হবে।
জগদীশপুর ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের কৃষক আলাউদ্দিন জানান, তিনি এই বছর প্রায় ১২০ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। মোট ৮০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। ফলন ভাল হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শিম পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা কেজি। এই সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি। এই পর্যন্ত ১হাজার কেজি শিম বিক্রি করেছেন আরো ১ থেকে দেড় হাজার কেজি বিক্রি হবে।
নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ব্যাঙ্গাডোবা গ্রামের কৃষক মান্নান মিয়া জানান, তিনি এই বছর ২১ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে।গাছ গুলোতে ফুল এসেছে। তিনি আশা করেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মত শিম বিক্রি হবে।
মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, শিম চাষে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব রকম পরামর্শ দেওয়া হচেছ। তাছাড়া উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জমি নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।
মাধবপুরে উৎপাদিত শিম যাচ্ছে সারা দেশে। এই বছর খরিপ -২ আর রবি মৌসুমে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী।
মাধবপুর,শিম, বাম্পার, ফলন, বিক্রি, সারাদেশ