সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে দেয়া হবে হাম-রুবেলার টিকা
যাপিতজীবন
প্রকাশঃ ২১ নভেম্বর, ২০২৫ ৩:৩০ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চেম্বারে প্রতিদিনই দেখা যায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের (মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ বা এমআর) দীর্ঘ লাইন। ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে এই ভিড়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
রোগীদের অভিযোগ, ডাক্তার চেম্বারে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই এমআরদের একটি দল তাঁকে ঘিরে ধরে। কেউ কেউ আবার জোর করে চেম্বারে ঢুকে নিজেদের কোম্পানির পণ্যের প্রচার করেন। এতে চিকিৎসা নিতে অপেক্ষার সময় আরও বেড়ে যায়। বয়স্ক রোগী, নারী ও শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকেরা এই ভিড়ে অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন চিকিৎসক জানান, এমআরদের চাপের কারণে রোগীদের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে কথা বলা বা চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ে সাক্ষাতের নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও চেম্বারের সামনে ভিড় কমছে না। রোগীরা চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ছবি তোলার ঘটনাও ঘটছে।
একজন কর্মকর্তা জানান, অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তারদের ওষুধ লিখতে উৎসাহিত করতে প্রতিনিধিরা বিভিন্ন উপহার দেন। তাই প্রেসক্রিপশন হাতে রোগীদের ছবি তুলে রাখা হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রোগীদের নির্বিঘ্ন চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এমআরদের জন্য আলাদা সময় ও নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ জরুরি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে কঠোর হওয়ার তাগিদ দেন তাঁরা।
ডাক্তার তানজিম আহমেদ বলেন, ‘আমরা প্রতিনিধিদের বিকেলে আসতে বলেছি। সকালে হাসপাতালে ভিড় যাতে না হয়, সে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
ডাক্তার শারমিন আহমেদ বলেন, ‘রোগীদের আগে দেখার সুযোগ দিতে বারবার অনুরোধ করেছি। প্রতিনিধিদের বিকেলের দিকে ভিজিট করতে বলা হয়েছে।’
সিলেট, জগন্নাথপুর, রিপ্রেজেনটেটিভ, ডাক্তার