সিলেট নগরীতে ৩২ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৪
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১২ জুলাই, ২০২৫ ৮:৩০ অপরাহ্ন
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ফারুক মিয়া নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালক নিহতের ঘটনায় যুবদল নেতাসহ ১৩৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে নিহতের স্ত্রী সালমা বেগম বাদী হয়ে ওই মামলা দায়ের করেন।
মামলায় নবীগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম সোহেলকে প্রধান আসামী করে সাংবাদিকসহ ১৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জহিরুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে সৌদি আরবে পাঠানোর কথা বলে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আশাহীদ আলী আশা পৌর এলাকার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের খসরু মিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর সময়মতো বিদেশ পাঠাতে না পারায় খসরু টাকা ফেরত চাইলে আশাহীদ উল্টো হুমকি ও গালিগালাজ করেন।
এ নিয়ে গত ৩ জুলাই রাতে খসরু মিয়ার সঙ্গে আশাহীদের কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পূর্ব তিমিরপুর ও আনমনু গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরদিন রাতেও দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এদিকে গত সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে পূর্ব তিমিরপুর, চরগাঁও, আনমনু, রাজাবাদ, রাজনগর, কানাইপুর ও নোয়াপাড়া গ্রামের লোকজন এতে জড়িয়ে পড়েন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সচালক ফারুক মিয়া নিহত হন। এতে আহত হন আরও দেড় শতাধিক মানুষ।
নিহত ফারুক মিয়া ওকই গ্রামের পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. কামরুজ্জামান জানান, এজাহারভুক্ত ১৩৫ আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ফারুক মিয়া হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।'
নবীগঞ্জ সংঘর্ষ, হবিগঞ্জ সহিংসতা, ফারুক মিয়া হত্যা, নবীগঞ্জ মামলা, যুবদল নেতা মামলা