বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নেওয়া কিছু দৃশ্যমান উদ্যোগের ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জনআলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ এই হাসপাতালে তো কাল অন্য হাসপাতালে ঝটিকা সফর করছেন। 

 

তিনি একদিকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিতিথাকার তাগিদ দিচ্ছেন, অন্যদিকে আবার রোগীদের জন্য রান্না করা খাবারের মানও নিজে পরখ করে দেখছেন। তাঁর সহযোগী স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতও সমানতালে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

 

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের মাঠপর্যায়ে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন, উপস্থিতি তদারকি এবং সেবার মান যাচাই-এসব উদ্যোগ সরকারের একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে: স্বাস্থ্যখাতে জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে।

 

তবে মুখে মুখে জবাবদিহিতা, সংস্কার ইত্যাদি কথা বলা যত সহজ, বাস্তবেএগুলোর বাস্তবায়ন ঠিক ততটাই কঠিন। বিশেষ করে, যারা একটি ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার বর্তমান সুবিধাভোগী, তারা কখনোই এই পরিবর্তনকে সহজভাবে মেনে নিতে পারেন না। 

 

আমাদেরস্বাস্থ্য খাতে ক্রয় প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, পোস্টিং ও বদলিতে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর প্রভাব এবং সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগ বহু বছর ধরে গণমাধ্যম, সরকারি নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

 

এতোদিন যারা স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা আর হরিলুট করে নিজেদের পকেট ভারী করেছেন, কিংবা যেসকল চিকিৎসক তদবিরের জোরে ঢাকায় পোস্টিং ধরে রেখে নিজেদের সরকারি পদবির 'ব্র্যান্ড ভ্যালু' কাজে লাগিয়ে জমজমাট প্র্যাকটিস করে আসছেন, তাঁদের কায়েমি স্বার্থে আঘাত লাগায় তাঁরা সরকারের এই উদ্যোগকে ভুল বা অবাস্তব বলে প্রমাণের চেষ্টা চালাবেনই। 

 

তাই আশঙ্কা করা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই মনস্তাত্ত্বিক ও কাঠামোগত প্রতিরোধের মুখোমুখি হতেই হবে।

 

একটি কার্যকর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ছয়টি মৌলিক ভিত্তি হলো—সেবাদান ব্যবস্থা, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্যতথ্য ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির প্রাপ্যতা, স্বাস্থ্য অর্থায়ন এবং নেতৃত্ব ও সুশাসন। 

 

কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ছয়টি ভিত্তির মধ্যেদক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী এবং নেতৃত্ব ও সুশাসন—এই দুটি ক্ষেত্রেই আমাদের ব্যাপক ঘাটতি আছে। এর সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের উপস্থিতি ও কর্মসংস্কৃতির ক্ষেত্রে।

 

আবার এটাও মানতে হবে, কর্মসংস্কৃতির পরিবর্তনের প্রশ্নে আলোচনাটি কেবল চিকিৎসকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রশাসন, নার্স, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী এবং পুরো সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার পেশাগত জবাবদিহিতার সংস্কৃতির সঙ্গেই এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

 

প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসকেরাই যেকোনো স্বাস্থ্যব্যবস্থার সামনের সারির সেবাকর্মী। বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য-ব্যবস্থায় তারা বিসিএসের মতো অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের সেবায় নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ফলে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সফলতা বা ব্যর্থতার আলোচনায় চিকিৎসকদের ভূমিকাই প্রথমে চলে আসে। 

 

কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, সরকারি চিকিৎসকদের কাছ থেকে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে একটি স্পষ্ট ব্যবধান রয়ে গেছে। তবে এখানে শুধু চিকিৎসকদের প্রতি একতরফা দোষারোপ করাও সমীচীন হবে না। 

 

বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন খাতে এখনো সেবাদানের চেয়ে ক্ষমতাকেন্দ্রিক ও আমলাতান্ত্রিক কর্মসংস্কৃতির প্রভাব বিদ্যমান। ফলে সেবাগ্রহীতার অধিকার ও প্রত্যাশা অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায় না। স্বাস্থ্যখাতও এই বৃহত্তর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিরই একটি অংশ।

 

সরকারি হাসপাতালের দীর্ঘ লাইন, চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, রোগীর সঙ্গে অমানবিক আচরণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সীমাবদ্ধতা কিংবা বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনার বাধ্যবাধকতা—এসব বহুদিনের বাস্তবতা। 

 

একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, দেশের কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা এখনো সেই সরকারি হাসপাতালই। আমাদের এই স্বাস্থ্য সংকটকে একটি গভীর নীতিগত ও কাঠামোগত সমস্যা হিসেবেই দেখতে হবে। 

 

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যেকোনো সময়ে দেশের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকেন। 

 

অন্যদিকে, PLOS Global Public Health জার্নাল এবং লন্ডনের SOAS বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, এই সংকটের পেছনে দুর্বল প্রশাসন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা, উচ্চতর প্রশিক্ষণের সীমিত সুযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং অতিরিক্ত কাজের চাপের মতো গভীর প্রাতিষ্ঠানিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

এই বিতক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কতটা গভীরভাবে প্রোথিত, তা সাম্প্রতিক কিছ ঘটনায় ফুটে ওঠে। এর একটি উদাহরণ হতে পারে গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের একটি ফেসবুক পোষ্ট। সেদিন একজন চিকিৎসক ফেসবুকভিত্তিক চিকিৎসকদের একটি গ্রুপে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, অতি কথন ভালো নয়। চিকিৎসক ও জনগণকে মুখোমুখি করে আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মতো কথা কম বলে নীরবে কাজ করুন। আপনার উদ্দেশ্য যদি সঠিক হয়, তাহলে কথা কম বলে কাজে প্রমাণ করুন।’ যমুনা টেলিভিশনে প্রচারিত ওই ভিডিওতে মন্ত্রী মহোদয় চিকিৎসকদের অনিয়ম না করার আহ্বান জানাচ্ছিলেন। 

 

শেয়ার করা এই ভিডিওটি ঘিরে চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই আলোচনায় একটি মন্তব্য ছিল—সরকারি চাকরি করে ইচ্ছেমতো ডিউটি করবেন, প্রাইভেট চেম্বারে ব্যস্ত থাকবেন, রোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন—এগুলো ঠিক করতে পারলেই তো দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ৮০ শতাংশ উন্নতি হয়ে যায়। দেশের কথা চিন্তা করলে, স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সঠিক পথেই আছেন।’

 

এই মন্তব্যটি চিকিৎসকদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক মন্তব্যটি হলো-জরুরি বিভাগে টানা ২৪ ঘণ্টার ডিউটি করে আসলাম। তুই কী করছস দেশের মানুষের জন্য’ এই প্রতিক্রিয়াগুলোই আমাদের দেখিয়ে দেয়, স্বাস্থ্যখাতে জবাবদিহিতার প্রশ্নটি এখনো চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত একটি বিষয়।

 

সরকারি হাসপাতালে বিশেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন সাব-সেন্টারগুলোতে চিকিৎসকদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও সুবিধা ভিত্তিক রোস্টার ব্যবস্থার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। উপরোক্ত মন্তব্যটি সেই বাস্তবতাকেই আবারও সামনে নিয়ে আসে। টানা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করা যেকোনো চিকিৎসকের জন্য নিঃসন্দেহে শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। 

 

তবে একজন চিকিৎসকের পেশাগত দায়িত্বশীলতার মূল্যায়ন এক দিনের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা দিয়ে নয়; বরং পুরো কর্মসপ্তাহজুড়ে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি, নির্ধারিত দায়িত্ব পালন এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবার ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। 

 

এই ধরনের কর্মসংস্কৃতি কেবল ডিউটিতে থাকা চিকিৎসকের ওপরইঅস্বাভাবিক কর্মচাপ সৃষ্টি করে না, সপ্তাহের অন্যান্য দিন রোগীরা চিকিৎসক-সংকটে ভোগেন এবং নিয়মিত উপস্থিত থাকা সহকর্মীদের ওপরও অতিরিক্ত দায়িত্ব এসে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন চিকিৎসক, রোগী এবং পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থা। 

 

এই অনিয়মের প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যখন আমরা সরকারি হাসপাতালে রোগীর অভিজ্ঞতা ও সেবার গুণগতমানের দিকে নজর দিই। 

 

PLOS ONE জার্নালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে রোগীর সামগ্রিক সন্তুষ্টির হার মাত্র ৫১ শতাংশ, যা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (৭৫ শতাংশ) তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফ্রন্টিয়ার্স ইন হেলথ সার্ভিসেসএবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হেলথ পলিসি অ্যান্ড প্ল্যানিং জার্নালের তথ্যমতে, রোগীর সন্তুষ্টি নির্ধারণে হাসপাতালের বাহ্যিক অবকাঠামো বা ভবনের চেয়ে চিকিৎসকের পেশাদার আচরণ ও যোগাযোগ দক্ষতা সবচেয়ে শক্তিশালী নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। এসব গবেষণার 'পেশেন্ট এক্সিট সার্ভে’ নিশ্চিত করে যে—রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, রোগ নির্ণয় সম্পর্কে বুঝিয়ে বলা, পর্যাপ্ত সময় দেওয়া এবং আন্তঃব্যক্তিক শ্রদ্ধা বজায় রাখাই মূলত রোগীদের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা ও সন্তুষ্টির মূল ভিত্তি। সরকার পরিসংখ্যানের দিকে জোর দিলেও এসকল গুণগত দিক উপেক্ষিতই থেকে গেছে। 

 

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের কথা উঠলেই আমরা সাধারণত নতুন হাসপাতাল নির্মাণ, বাজেট বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা কিংবা আরও বেশি চিকিৎসক নিয়োগের কথা বলি। এগুলো অবশ্যই প্রয়োজন। 

 

কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়—যে জনবল ইতোমধ্যে রয়েছে, তারা কি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছেন? সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো এর মানবসম্পদ। 

 

একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক সীমিত সম্পদ নিয়েও অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচাতে পারেন। বিপরীতে, আধুনিক ভবন ও উন্নত যন্ত্রপাতিও অর্থহীন হয়ে পড়ে যদি চিকিৎসক নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত না থাকেন, রোগীকে যথেষ্ট সময় না দেন। 

 

এখন চিকিৎসকেরা যদি ন্যায্য ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবংপর্যাপ্ত সরঞ্জাম দাবি করেন, সেটি তাঁর অধিকার। একই সঙ্গে জনগণও আশা করে যেতাঁর করের অর্থে বেতনপ্রাপ্ত একজন সরকারি চিকিৎসক নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত থাকবেন এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। 

 

কোনো অজুহাতেই কর্মস্থলে অনুপস্থিতি বা সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন অনুপস্থিত থেকে এক বা দুই দিনে দীর্ঘ সময় ডিউটি করে দায়িত্ব শেষ করার সংস্কৃতি মেনে নেওয়া যায় না। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। 

 

আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালেই জনগণেরসেকেন্ডারি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হওয়ার কথা।

 

যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়—বর্তমান সম্পদ দিয়েই সবচেয়ে দ্রুত কোথায় পরিবর্তন আনা সম্ভব? আমার উত্তর হবে, সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের—বিশেষ করে চিকিৎসকদের—নিয়মিত উপস্থিতি, কার্যকর জবাবদিহিতা এবং রোগীকেন্দ্রিক পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করা। 

 

এতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সব সমস্যা দূর হবে না, কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের ভোগান্তির একটি বড় অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। কারণ একটি হাসপাতালের প্রকৃত শক্তি তার ভবনে নয়; সেই মানুষগুলোর মধ্যে, যারা প্রতিদিন হাসপাতালের দরজা খুলে রোগীদের পাশে দাঁড়ান। তাঁদের দায়িত্বশীলতা এবং রাষ্ট্রের সুশাসনের সমন্বয়েই বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা তার পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে। 

 

এটি অবশ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থার একমাত্র সংস্কার নয়; তবে বিদ্যমান সম্পদ ব্যবহার করে সবচেয়ে দ্রæত দৃশ্যমান ফল পাওয়া সম্ভব এমন সংস্কারগুলোর একটি।

  

লেখক : এমবিবিএস, এমপিএইচ (কমিউনিটি মেডিসিন), এমবিএ (মার্কেটিং) এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জেনারেল প্র্যাকটিশনার।  


শেয়ার করুনঃ