সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি জিল্লুর রহমানকে বদলি
রাজনীতি
প্রকাশঃ ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ৬:৩৬ অপরাহ্ন
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মূল্যস্ফীতি ও বাজেটের ওপর চাপ কমাতে নতুন বেতন কাঠামো দুই অর্থবছরে চার ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কৌশল চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার বিষয়টিও এ পরিকল্পনায় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ আমদানির কারণে রাজস্বের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হওয়ায় সরকার ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এর পর আগামী বছরের শুরুতে আরো ৩৫ শতাংশ কার্যকর হবে। মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাইয়ে এবং এর পর ওই অর্থবছরের জানুয়ারিতে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ পুরো বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে মোট চারটি ধাপ থাকবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
অষ্টম পে কমিশনের প্রায় এক দশক পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে। কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
পরে সুপারিশ বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণে ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির পর্যালোচনার ভিত্তিতেই অর্থ মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করছে।
এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই তা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।
পে-স্কেল, মন্ত্রিসভা, বেতন কাঠামো, সরকারি কর্মচারী, অর্থনীতি, অর্থমন্ত্রী