এমপির উদ্যোগে শহীদ মিনার পেল শাল্লার মাহমুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়
তথ্যপ্রযুক্তি-শিক্ষা
প্রকাশঃ ১৯ জুলাই, ২০২৬ ৭:৩৩ অপরাহ্ন
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই নেতা কতৃক এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
রোববার (১৯ জুলাই) অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাদের বিচার সহ তিন দফা দাবিতে ক্যাম্পাসে নানা কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
এদিন দুপুর একটার দিকে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোলচত্বরে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এসময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘সাস্টিয়ান, এক হও, লড়াই করো’, ‘আমার ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘খাইরুল আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, এবং ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। ২. শাহপরান আবাসিক হলের প্রভোস্টকে পদত্যাগ করতে হবে ও তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. আহত শিক্ষার্থীসহ শাবিপ্রবির সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার পর তারা তদন্তের জন্য তিন দিনের সময় দিতে সম্মত হয়েছিলেন। তবে তদন্ত কমিটি গঠনের পর ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে আপত্তি রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ওই ভাষা ঘটনাটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করেনি এবং এতে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।’
এসময় তিনি তদন্ত কমিটির ভাষা সংশোধন, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেন।
একইদিন বিকেল চারটার দিকে নতুন ফুডকোর্টে জরুরি সভায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থীরা। সভায় মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, আলপনা অঙ্কন, পোস্টারিং সহ নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। সভা শেষে গোলচত্বরে "জাস্টিস ফর খায়রুল" শ্লোগানে মানববন্ধন করেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি ব্যাচ ও বিভাগ বিবৃতি প্রদান করে এ ঘটনার নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, শাহপরান হলের খাবারের মান নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মন্তব্য করার জেরে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের (২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুজনই শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এদিকে ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ওই বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়।
লিডিং ইউনিভার্সিটি, বাস দুর্ঘটনা, সিলেট, পরিবহন সংকট, ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষার্থীদের দাবি