বাহুবলে সড়ক দুর্ঘটনা: নারী নিহতের ঘটনায় চালক গ্রেপ্তার
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১৬ জুলাই, ২০২৬ ১:৪৮ অপরাহ্ন
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় অটোরিকশায় তুলে এক নারীকে নির্জন বাড়িতে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা এক নারী।
অভিযোগ রয়েছে, অটোরিকশার চালক তাকে গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে কয়েকজন মিলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।
মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া গেদা (৪৪)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলায় নাম থাকা অন্য অভিযুক্তরা হলেন, অটোরিকশাচালক সাইদুর রহমান (৩০), আলমনগর গ্রামের আশিক মিয়া (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্বনাথ, সিলেট, নারী ধর্ষণ, বিশ্বনাথে নারী ধর্ষণ, অটোরিকশায় তুলে ধর্ষণ, সিলেট অপরাধ, বিশ্বনাথ থানা