
সিলেটে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে ডেকে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টাকালে অপহরণকারী চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহৃত এক যুবককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) রাতে নগরীর কুনিপাড়া এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। আজ মঙ্গলবার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মীম আক্তার নাহিদা (২২), মিল্লাত (২০), শিল্পী বেগম প্রকাশ শিল্পী দেওয়ান (৪০), এমরান খান (২৪) ও স্বপন আহমেদ (২৩)।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী জিল্লুর রহমানের (২৭) সঙ্গে কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে মীম আক্তার নাহিদার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জিল্লুরকে নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ বড়বাজার গলির মুখে দেখা করতে ডাকে মীম।
জিল্লুর সেখানে পৌঁছালে মীম ও তার সহযোগীরা তাকে ঝাপটে ধরে মারধর করে এবং জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে কুনিপাড়ার একটি বসতঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, এ সময় চক্রটি ভুক্তভোগীর পকেটে থাকা ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে।
একপর্যায়ে জিল্লুর রহমানের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শেয়ার করুনঃ
অপরাধ-বিচার থেকে আরো পড়ুন
সিলেট, অপহরণচক্র, মুক্তিপণ, এয়ারপোর্ট থানা, গ্রেপ্তার

