২৩ এপ্রিল ২০২৬

দৈনন্দিন / গ্রামবাংলা

জগন্নাথপুর-সিলেট সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট, দুর্ঘটনার শঙ্কা

প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ 

প্রকাশঃ ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:০৮ অপরাহ্ন


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থেকে সিলেট যোগাযোগের প্রধান সড়ক জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কের বাউরকাপন গ্রামের পাশে চার রাস্তা সংলগ্ন একটি কালভার্ট ভেঙে পড়েছে। এতে সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, প্রায় সাত দিন আগে কালভার্টটি ভেঙে যায়। এরপর পাশের গ্রামের লোকজন লাল নিশান টানিয়ে চালকদের সতর্ক করে আসছেন।

 

তাদের অভিযোগ, কালভার্টটি ভাঙনের ছয় দিন পর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মী গিয়ে সামান্য মেরামত করেন। তবে মেরামত কাজ করা সত্ত্বেও কালভার্টটি চলাচলের জন্য উপযোগী হয়ে ওঠেনি। এতে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। 

 

স্থানীয়রা জানান, চার রাস্তার মুখে অবস্থিত কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সড়কের অন্যান্য কালভার্ট সংস্কার হলেও এটি বারবার অবহেলিত থেকে গেছে।

 

স্থানীয় সিএনজি চালিত অটোরিকশাচালক সোহেল মিয়া বলেন, আমাদের একমাত্র রুটি রুজির ভরসা জগন্নাথপুর-সিলেট সড়ক, এই সড়কে বাউরকাপন গ্রামের পাশে চার রাস্তা সংলগ্ন কালভার্ট টি ভেঙ্গে যাওয়ায় আমরা বিপদে আছি, জীবেনর ঝুকিঁ নিয়ে সিএনজি নিয়ে চলাচল করতে হয়। উপজেলা প্রশাসন এ দিকে নজর দিচ্ছেন না।

 

বাসচালক রফিক মিয়া বলেন, এই কালভার্ট টিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ না হওয়ায় বড় গর্ত হয়ে এখন মরণফাদেঁ পরিণত হয়েছে, যে কোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমাদের সিলেট যাওয়ার একমাত্র রাস্তায় এ কালভার্ট টি দিয়ে গাড়ী নিয়ে যেতে ভয় করে। জরুরী ভিত্তিতে কাজ করানো দরকার।

 

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার খবর পাই। এরপর সেখানে গিয়ে দুটি স্টিলের সিড পরিবর্তন করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ব্রিজটি দুর্বল হয়ে গেছে। ওপর থেকে তাকালেই রড দেখা যায়।

 

তিনি আরও বলেন, বিকল্প হিসেবে বেইলি ব্রিজ দিয়ে অস্থায়ী সমাধান করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে। 


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

জগন্নাথপুর-সিলেট সড়ক, ঝঁকিপূর্ণ কালভার্ট, দুর্ঘটনার শঙ্কা

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ