১৭ এপ্রিল ২০২৬

অপরাধ-বিচার / আটক-গ্রেপ্তার

দোয়ারাবাজারে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ৭২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:১২ অপরাহ্ন


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি অমল দাসকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)। গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৯ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার অমল দাস (৪০) দোয়ারাবাজার উপজেলার ডুমবন্দ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি।

র‌্যাব জানায়, ভুক্তভোগী নারী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি গত চার বছর ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় অমল দাস তাঁকে ফোন করে ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নেন। সেখান থেকে তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে রাতভর একাধিকবার সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

পরদিন সকালে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করা হয় এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর অমল দাসকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯–এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, শিরোনাম:
দোয়ারাবাজারে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ৭২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি অমল দাসকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)। গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৯ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার অমল দাস (৪০) দোয়ারাবাজার উপজেলার ডুমবন্দ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি।

র‌্যাব জানায়, ভুক্তভোগী নারী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি গত চার বছর ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় অমল দাস তাঁকে ফোন করে ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নেন। সেখান থেকে তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে রাতভর একাধিকবার সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

পরদিন সকালে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করা হয় এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৯–এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারের পর অমল দাসকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


শেয়ার করুনঃ

অপরাধ-বিচার থেকে আরো পড়ুন

সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, ধর্ষণ, গ্রেপ্তার

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ