সিলেটে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ২০ মে, ২০২৫ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত চব্বিশ ঘন্টা অতিভারী বর্ষণের ফলে সিলেট বিভাগের সকল নদনদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে এখনো কোন নদী বিপদসীমা অতিক্রম করেনি।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্যমতে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত তার পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখালে ২১৬ মিলিমিটার, গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে ১৩৬ মিলিমিটার, সিলেট শহরে ৯২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জ শহরে ১৬৫ এবং সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউড়ের গড়ে ১৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
একই সময়ে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বেড়েছে ৩০ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার, সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে ৩৬ সেন্টিমিটার, সুনামগঞ্জ শহর পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের জকিগঞ্জের অমলশীদ পয়েন্টে ২৪ সেন্টিমিটার, বিয়ানীবাজারের শেওলা পয়েন্টে ৪১ সেন্টিমিটার ও মৌলভীবাজারের শেরপুরে ৪২ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
মনু নদীর পানি মৌলভীবাজার পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার, পিয়াইন নদীর পানি সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলং পয়েন্টে ১০২ সেন্টিমিটার, সারিগোয়াইন নদী জৈন্তাপুরের সারিঘাট পয়েন্টে ৮৯ সেন্টিমিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে আগামী তিনদিন সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সকল নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানিয়েছেন, সিলেটের আকাশে এখনো প্রবল মেঘ জমে আছে এবং বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
সিলেট, বন্যা, নদীর পানি বৃদ্ধি, সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, মনু নদী, পিয়াইন নদী, সারিগোয়াইন নদী, সিলেট আবহাওয়া, বন্যা পূর্বাভাস, মৌসুমি বায়ু, জৈন্তাপুর বৃষ্টি, সুনামগঞ্জ বৃষ্টি, জাফলং বৃষ্টি, সিলেটের বৃষ্টি