- স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা স্থগিত রাখা হয়। বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ও প্রশাসনিক সচিবসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু কর্মকর্তা ও কর্মচারী দপ্তরের কাজ থেকে সরে দাঁড়ান।
- প্রতিরোধ গড়ে তোলা সাধারণ মানুষ সামরিক কর্তৃপক্ষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহের পথে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন বাধা দেয়। সিলেটে রসদবাহী একটি সামরিক কনভয় সাধারণ মানুষ আটক করে।
- সেই রাতেই ১১৪ নম্বর সামরিক আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, কোনো বেসামরিক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করলে বা সামরিক বাহিনীর কাজে বাধা সৃষ্টি করলে তা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী হাই স্কুল মাঠে ন্যাপ নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এক জনসভায় স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান সাত কোটি মানুষের নেতা এবং তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে সংগ্রাম করতে হবে।
তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর