আরও ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই ট্যাক্সি
প্রবাস
প্রকাশঃ ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ ২:৪১ অপরাহ্ন
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি বুধবার ইউকে হিন্দু অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও শত শত প্রবাসী ভারতীয় (পিআইও) ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিন্দু এই বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ও হত্যার ঘটনার নিন্দা জানান এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের প্রতি এ বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড পোপাট ও ব্যারোনেস ভার্মা কর্মসূচিতে যোগ দেন। হাউস অব কমন্সের সদস্য নাভেন্দু মিশ্রা ও জিম ডিকসন উপস্থিত থেকে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানান।
লেবার পার্টির এমপি লোকমারফি বলেন, বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যার বিষয়ে উদ্বিগ্ন অনেক বাংলাদেশি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি বলেন, লেবার সরকার এ বিষয়টি নিয়ে সম্পৃক্ত রয়েছে এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
প্রাক্তন লেবার এমপি বীরেন্দ্র শর্মা বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করা সব শক্তির উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করা, যাতে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশ সরকারের উচিত লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানানো। তাঁর দাবি, ব্রিটিশ সরকার এ পর্যন্ত যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি।
বীরেন্দ্র শর্মা বলেন, ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, যা বর্তমানে নেমে এসেছে প্রায় ৭ শতাংশে। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।
বিক্ষোভের আয়োজক বাংলাদেশ হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন ইউকের সাধারণ সম্পাদক অলকচন্দ্র বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে আরও দৃঢ় চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
বিক্ষোভ চলাকালে একটি ডিজিটাল ভ্যানে সহিংসতার বিভিন্ন ছবি প্রদর্শন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাহার, সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তি, মন্দির রক্ষা এবং গণপিটুনির শিকার দীপু চন্দ্র দাসের জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
লন্ডন, যুক্তরাজ্য, বিক্ষোভ