বিসিবির পরিচালক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী কাইয়ুম চৌধুরী
খেলাধুলা-বিনোদন
প্রকাশঃ ২ জানুয়ারী, ২০২৬ ৯:১৮ অপরাহ্ন
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে সিলেট টাইটান্স। ইনিংসের প্রথম দিকেই ফিরে যান সাইম আইয়ুব ও মিরাজ। পাওয়ার প্লেতে ভালো শুরু করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি রনি তালুকদার।
ডানহাতি ওপেনার রনি তালুকদার ফাহিম আশরাফের বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেন ১৪ বলে ১৯ রান। এরপর রংপুরের বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমনও। ১৯ বলে ১৫ রান করে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
মাত্র ৬৩ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন ইথান ব্রুকস ও আফিফ হোসেন। দুজনের দৃঢ় জুটিতে আবার ম্যাচে ফেরে সিলেট। এক সময় আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এই দুই ব্যাটসম্যান, তাঁদের ব্যাটেই একশ পার হয় দলের সংগ্রহ।
তবে বড় জুটি গড়ার আগেই স্বস্তি ফেরান রংপুরের বোলাররা। মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ ফেরান সেট হয়ে যাওয়া দুই ব্যাটসম্যানকে। আফিফ ৩১ বলে করেন ৪৬ রান এবং ইথান ব্রুকস ৩০ বলে করেন ৩২ রান।
শেষের দিকে ইনিংস গুছিয়ে নিতে পারেনি সিলেট। ডেথ ওভারের শেষ চার ওভারে ৩৬ রান তুলতে গিয়ে হারায় ৪ উইকেট। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৪৪ রান।
সিলেট টাইটান্স, সিলেট, ক্রিকেট, খেলা, বিপিএল