জাফলংয়ের কূপ থেকে দেশীয় পিস্তলসহ আটক তিনজন
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৩:০৩ অপরাহ্ন
সিলেটের গোলাপগঞ্জে আদালতের রায় অমান্য করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার অভিযোগে জেলা প্রশাসকসহ পাঁচজন সরকারি কর্মকর্তাকে শোকজ করেছে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত।
শোকজপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তারা হলেন— সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ ফুয়াদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ফুলবাড়ী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট গোলাপগঞ্জের ঘোষগাঁও গ্রামে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে একই পরিবারের এক নারীসহ চারজনকে ১৫ মাসের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা দেন এসি ল্যান্ড ফয়সাল মাহমুদ ফুয়াদ। পরদিন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল (আপিল মামলা নং- ০৪/২০২৫) করেন।
এরপর ৩ সেপ্টেম্বর নালিশা ভূমির মালিক রিয়াদ আহমদ চৌধুরী এসি ল্যান্ডসহ পাঁচজনকে বিবাদী করে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞার মামলা (নম্বর ১০৩/২০২৫) দায়ের করেন। আদালত ওই মামলায় বিবাদীদের ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী, এর আগে ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল গোলাপগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত নালিশা ভূমি নিয়ে করা একটি স্বত্ব মামলায় (নম্বর ১৪৭/২০২১) রিয়াদ আহমদ চৌধুরীর পক্ষে রায় দেন। পরে তিনি ২০২৩ সালের ৮ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে চেরাগ আলী ও তার ভাইদের আমমোক্তারনামা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত পরিবার দাবি করেছে, আদালতের ডিক্রির ভিত্তিতে তারা বৈধভাবে জমি ভোগদখলে ছিলেন। কিন্তু এসি ল্যান্ড ও স্থানীয় তহসিলদার নজরুল ইসলাম তাদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসি ল্যান্ড ফয়সাল মাহমুদ ফুয়াদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদালত থেকে কোনো নোটিশ আমি পাইনি। শোকজের বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আদালত থেকে নোটিশ এলে অবশ্যই আমি সাড়া দেব।’
বাদী রিয়াদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মকর্তারা বেআইনিভাবে মোবাইল কোর্ট চালিয়ে আমাদের পরিবারের চারজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করলে আদালত পাঁচ কর্মকর্তাকে শোকজ করেছেন।’
শোকজ, সিলেট, জেলা প্রশাসক, আদালত, রায়