রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি
সংগ্রাম-স্বাধীনতা
প্রকাশঃ ১২ জুলাই, ২০২৫ ৬:২৬ অপরাহ্ন
জুলাই মাসের দিনগুলো যতোই সামনে এগোচ্ছিল ততোই উত্তপ্ত হচ্ছিল সিলেট। ১২ জুলাই ছিল গণঅভ্যূত্থানের অন্যতম একটি দিন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছিল সিলেটের আন্দোলনের মুলবিন্দু। সেদিন সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের মশালের লাল আলোয় জ্বলে ওঠেছিল প্রতিটি শিক্ষার্থী।
সেদিন শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এই মশাল মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। মশাল এবং মোমবাতি হাতে প্রতিবাদী মিছিলটিতে প্রায় ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে অবস্থান নেন। পরে সেখান থেকে মশাল মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এসে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ আল গালিব, মাহবুবুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, সুইটি আক্তার, হাফিজুর রহমান ও নূর মো. বায়েজীদ।
শিক্ষার্থীরা বলেন, কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং ঢাকাতে পুলিশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই মশাল মিছিলের মাধ্যমে তারা পুলিশ প্রশাসনকে সর্তক করে দিতে চান যে, এরপরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হলে তারা আরও কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবেন।
এসময় বক্তারা আরও বলেন, পুলিশি হামলায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মেরুদণ্ড ভাঙেনি বরং মেরুদণ্ড আরও শক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাক্ষী ছাত্র আন্দোলন কখনোই ব্যর্থ হয়নি। এবারও শিক্ষার্থীরা সফল না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবে না।
জুলাই অভ্যুত্থান, শাবিপ্রবি মশাল মিছিল, ১২ জুলাই অভ্যুত্থান, কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন সিলেট