জগন্নাথপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশঃ ৯ জুলাই, ২০২৫ ৫:২৭ অপরাহ্ন
ইতালিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে দেড় শতাধিক যুবকের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রতারিতরা অভিযোগ করছেন, চুক্তি অনুযায়ী সময় পার হয়ে গেলেও কেউ ভিসা পাননি, এমনকি টাকা ফেরতও মেলেনি।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগীরা। তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের আদিনাবাদ এলাকার শিক্ষক ছয়ফুল আলমের ছেলে জামিল আহমদ।
লিখিত বক্তব্যে জামিল জানান, ২০২3 সালের বিভিন্ন সময়ে ইউরোপের দেশ ইতালিতে বৈধভাবে যাওয়ার লক্ষ্যে তারা ছয় মাস মেয়াদি চুক্তিতে দেলোয়ার হোসেনের কাছে পাসপোর্ট জমা দেন। প্রতিজন দেলোয়ার ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ, চেক বা বিকাশের মাধ্যমে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে প্রদান করেন।
কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কেউ ভিসা পাননি, বরং বারবার সময় নেন ও নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান দেলোয়ার। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীদের চুপ করাতে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। শুধু রুবেল আহমদ নামের একজনের সঙ্গে সাড়ে ১১ লাখ টাকায় আপস করেন।
জামিল আহমদ আরও বলেন, টাকা ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগীরা মিলে দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার উল্টো তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করেন।
অভিযোগকারীরা বলেন, দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই পরিচয়ের কারণেই অনেকে তাকে বিশ্বাস করে সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা দেন। কিন্তু তিনি সেই বিশ্বাসের অপব্যবহার করে কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন, আর প্রতারিতরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জামিল আহমদ বলেন, ‘আমরা দেলোয়ার হোসেনের কাছে আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত চাই। নইলে আমাদের আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।’
সিলেট, বিয়ানীবাজার, ইতালী, অভিযোগ