ছাপ্পান্নর রেকর্ড অনুযায়ী উদ্ধার হবে নগরীর ছড়া-খাল: সিসিক প্রশাসক
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১১ আগস্ট, ২০২৬ ১:৩৩ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় পতাকা বৈঠক শেষে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।
পরে নিহতের বড় ভাই রাজু মিয়া মরদেহটি গ্রহণ করেন। তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।
কুলাউড়া থানার পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি কুলাউড়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ তারা মিয়ার মরদেহ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ৮ আগস্ট দিবাগত রাতে তারা মিয়াসহ ৪ থেকে ৫ জন বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন বলে পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়। এ সময় বিএসএফের একটি টহল দল তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
মরদেহ হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে তারা মিয়ার পরিবারের কাছে তার লাশ ফিরেছে।
কুলাউড়া সীমান্ত, তারা মিয়া, বিএসএফের গুলি, বিএসএফ, বাংলাদেশি তরুণ নিহত, মৌলভীবাজার সীমান্ত, কুলাউড়া সীমান্তে মৃত্যু, তারা মিয়ার মরদেহ, বিজিবি