২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক
অনিয়ম-দুর্নীতি
প্রকাশঃ ১ মার্চ, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জে নিলামে ক্রয় করা পাথর দিনের বেলা একজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নেওয়ার কথা থাকলেও রাতের বেলা অবাধে সরানো হচ্ছে। প্রতিদিন রাতের আধাঁরে ৩০ থেকে ৪০ টি ট্রাকে ডলুরা চলতি নদীর পশ্চিম পাড় থেকে সরানো হচ্ছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় সরজমিনে ডলুরা চলতি নদীর পাড়ে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
জানা যায়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সম্মতির প্রেক্ষিতে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন ডলুরা নদীর পশ্চিম পাড়ে নিলাম ক্রয়কৃত ২,৯৯,৪৩২ ঘনফুট পাথরের মধ্যে অবশিষ্ট ১,৯৭,৫৩২ ঘনফুট পাথর অপসারণের জন্য ৮টি শর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত ৭ দিনের মধ্যে নিজ খরচে পাথর অপসারণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
যেখানে ৭নং শর্তে উল্লেখ করা হয় রাত্রিকালীন সময়ে কোনও পাথর নেওয়া যাবে না অর্থাৎ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত নিলামে ক্রয় করা পাথর নেওয়া যাবে।
কিন্তু বাস্তব চিত্র একবারেই ভিন্ন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজকে পুঁজি করে রাতের আঁধারে ৩০ থেকে ৪০ টি ট্রাকে ডলুরা নদীর পশ্চিম পাড় থেকে অবাধে পাথর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই সুযোগে নিলামকৃত পাথরের চেয়েও অধিক পাথর সরানোর অভিযোগ ওঠেছে।
কিন্তু এ ব্যাপারে দেখার যেন কেউ নেই। পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে এ লুটের ব্যাপারে। নিলামে বিক্রয়কৃত পাথর নিলামকারিরা কি পরিমাণে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন বা খনিজ সম্পদ বিভাগের কেউ তা তদারকি করছেন না।
তবে নিলামকৃত পাথর সরবরাহের দায়িত্বে থাকা শাহজাহান বলেন, ‘আমি সুনামগঞ্জে আছি। তবে রাতে পাথর বের হওয়ার সুযোগ নেই।’
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলামকে একাধিক কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল মতিন খান জানান, সন্ধ্যার দিকে পাথর লুট হচ্ছে এমন একটি সংবাদ পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজে উল্লেখ করা আছে রাতে কোনোও পাথর অপসারণ করা যাবে না। যদি কেউ এমন করে তাহলে পাথর অপসারণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জ, ডলুরা চলতি নদী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, পাথর নিলাম