সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ মে
নির্বাচন
প্রকাশঃ ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১:১৪ পূর্বাহ্ন
সিলেট-৩ আসনে বালাগঞ্জ উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ‘জালভোট’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১১-দলীয় জোট ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নের মৈশাষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির তারিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি ওই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে আশেপাশে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের কেন্দ্রের ভেতরেই ঘেরাও করেন। এ সময় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেন, ‘প্রিজাইডিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে রাত ১১টার দিকেই ব্যালটে সিল মারা শুরু হয়েছিল। এটি একটি ‘ব্ল্যাক-ডে’ (কালো দিন), এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এখন কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছি।’
১১-দলীয় জোট মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন রাজু এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করে বলেন, ‘এজেন্ট কার্ড দেওয়ার কথা বলে তাদের ডেকে নেওয়া হয়েছিল। তারা যখন কার্ড গ্রহণের জন্য সই করছিলেন, ঠিক তখনই তাঁদের ঘেরাও করে জালভোটের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক। থানা অনেক দূরে, ডাকলেও তারা আসেনি। তবে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছেন। কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে এবং তারা ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেট, বালাগঞ্জ, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মারধর