১২ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত ৪৯.২ মিমি, সিলেটে ফের বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় ২৭ হাজার হিজল গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বড়লেখায় ১৫ হাজার এবং জুড়ীতে ১২ হাজার চারা রোপণ করা হয়।
হাকালুকি হাওরের পরিবেশ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস)।
রোববার (১২ জানুয়ারি) বড়লেখার মালাম বিলের কান্দা ও জলা বিলের উত্তর কান্দায় চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বড়লেখার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া। অন্যদিকে জুড়ী উপজেলার চাতলা বিল এলাকায় চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ দস্তেগীর।
জুড়ী উপজেলার চাতলা বিল এলাকায় হিজল চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ দস্তেগীর। অনুষ্ঠানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং সিএনআরএসের ফিল্ড ম্যানেজার মোস্তফা হায়দার মিলন উপস্থিত ছিলেন।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ দস্তেগীর বলেন, ‘হাকালুকি হাওরাঞ্চলের পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বিচারে গাছ কাটাসহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হাওরাঞ্চলে ভূমিক্ষয় বেড়েছে। এ অবস্থায় হিজলের মতো জলাভূমি উপযোগী গাছ রোপণ করলে মাটির বাঁধন শক্ত হবে এবং ঢেউয়ের আঘাত থেকে হাওরসংলগ্ন বসতি রক্ষা পাবে। পাশাপাশি এসব গাছ জলজ প্রাণীর নিরাপদ আশ্রয় ও প্রজননক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করবে।’
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, ‘হিজল গাছ হাওরের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি দীর্ঘ সময় পানির নিচে টিকে থাকতে পারে এবং তীব্র স্রোত সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। হাওরের ইকোসিস্টেম রক্ষা, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এ ধরনের পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যা অপরিহার্য।’
তিনি বলেন, ‘বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় রোপিত ২৭ হাজার হিজল চারা বড় হলে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং হাকালুকি হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে।;
মৌলভীবাজার, হাকালুকি হাওর, হিজল চারা, রোপণ