গোয়াইনঘাটে প্রত্যাশা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ
খেলাধুলা-বিনোদন
প্রকাশঃ ৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ৮:২৬ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) আসরে হঠাৎ অ্যান্টি–করাপশন তল্লাশি, অনুমতি ছাড়াই খেলোয়াড়ের কক্ষে প্রবেশ এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন জব্দ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের সিও আতিফ ফাহাদ। তাঁর অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে তীব্র মানসিক চাপে পড়েছেন একাধিক বিদেশি ও স্থানীয় ক্রিকেটাররা।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটে নিজেদের টিম হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সম্প্রতি এক ম্যাচের আগের রাতে কোনো পূর্বনির্ধারিত সময় বা টিম ম্যানেজমেন্টকে অবহিত না করেই অ্যান্টি–করাপশন ইউনিটের কয়েকজন সদস্য আমাদের বিদেশি খেলোয়াড় আফগানিস্তানের রহমানুল্লাহ গুরবাজের কক্ষে প্রবেশ করেন। ওই সময় গভীর ঘুমে ছিলেন ওই খেলোয়াড়। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং পুরো রাত ঘুমাতে পারেননি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান আতিক ফাহাদ।
আতিফ ফাহাদ বলেন, ‘অ্যান্টি–করাপশন কার্যক্রম অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু সেটি আইসিসির নিয়ম মেনে, সম্মান ও শালীনতার সঙ্গে হওয়া উচিত। যেভাবে মাঝরাতে অনুমতি ছাড়া খেলোয়াড়ের কক্ষে ঢোকা হয়েছে, তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।’
অভিযোগ রয়েছে, ওই খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন দীর্ঘ সময় জব্দ করে রাখা হয়। কয়েক দিন পার হলেও ফোন ফেরত পাওয়া যায়নি। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থার দিকেও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে দাবি টিম সূত্রের।
সিও আতিফ ফাহাদ বলেন, ‘খেলোয়াড়রা মাঠে নামার আগে মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা সবচেয়ে জরুরি। অথচ ম্যাচের ঠিক আগের রাতে এমন জেরা ও তল্লাশি হলে পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়াটাই স্বাভাবিক।’
এদিকে মাঠের ভেতর কিছু আম্পায়ারিং সিদ্ধান্ত নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট দল। তাদের দাবি, দ্রুত ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আম্পায়ারিং ব্যবস্থাপনার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য এসেছি, ব্যবসা বা কারও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য নয়। কিন্তু পুরো পরিস্থিতি এমনভাবে দাঁড়িয়েছে, যেন আমাদের একটি ভুল ইমেজ উপস্থাপন করা হচ্ছে’।
সবশেষে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, এখন পর্যন্ত বিপিএলের ৬ দলের মধ্যে পাঁচটি দলের ৩০ জনের মোবাইল নিয়েছে অ্যান্টি–করাপশন টিম। এমনকি ঢাকা ক্যাপিটালের সিও মোবাইল পর্যন্ত ঢাকায় নিয়ে গেছে তারা যা এখনও ফেরত দেয়নি।
বিপিএল, সিলেট অভিযোগ, ঢাকা ক্যাপিটালস