এতিম শিশুদের সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করলেন এমসি কলেজ ছাত্রদল নেতা রাজীব
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশঃ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৬:৪০ অপরাহ্ন
সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা নিরীহ মানুষের ওপর গণহত্যা চালানোর পর তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান দীপ্ত কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার সেই ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত ও বেগবান করেছিল। জিয়াউর রহমানের অবদান ছাড়া স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণতা পায় না।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহানগর ও সদর বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে একজন বীর সেনানায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান সাহসী নেতৃত্ব ও গভীর দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করে এবং সশস্ত্র সংগ্রামকে সুসংগঠিত করে তোলে। একই সঙ্গে জাতির শ্রেষ্ঠ সেনানায়ক জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও সামরিক শৃঙ্খলাই বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছে। এই দুই নেতার অবদান ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর তা রক্ষা করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতার চেতনা বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, মুক্তিযুদ্ধের যে স্বপ্ন একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র—তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতীক। তার রাষ্ট্র সংস্কারের দর্শন ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে আধুনিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার পথ দেখাচ্ছে।
তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা এবং একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এবারের বিজয় দিবসে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বদরুদ্দোজা বদর, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আফসর খানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
খন্দকার মুক্তাদির, বিএনপি, মহান বিজয় দিবস, সিলেট-১ আসন, সিলেট