আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, উবায়দুল্লাহ ফারুককে কারণ দর্শানোর নোটিশ
নির্বাচন
প্রকাশঃ ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:০১ অপরাহ্ন
ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি প্রথম ধাপে সিলেটের ১৪টি এবং দ্বিতীয় ধাপে সিলেটের ৪টি আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেও সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীরঘেঁষা জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট নিয়ে গঠিত সিলেট-৫ আসনে কোন প্রার্থীতা ঘোষণা করেনি। দ্বিতীয় ধাপেও মনোনয়ন না পাওয়ায় এ আসনটি এখনও ঝুলিয়ে রেখেছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরও ৩৬ জন প্রার্থীরদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে সেই সময় সিলেট-৫ আসনে কোন প্রার্থীর নাম তিনি নেননি।
এদিকে গুঞ্জন আছে বিএনপি এ আসনটি ছেড়ে দিতে পারে জোটের জন্য। সেখানে আলোচনায় আছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। তবে দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে এ আসনে নিজেদের একক প্রার্থী এখনো মনোনয়ন দিতে পারেনি বিএনপি কিন্তু এ আসনে দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশার দৌড়ে এগিয়ে আছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন)।
মামুনুর রশিদ ছাড়াও এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন আশিক উদ্দিন চৌধুরী, মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব), সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, সামিরা তানজিন চৌধুরী ও জাকির হোসেন দলের মনোনয়নের প্রত্যাশায় রয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে বিএনপি নিজস্ব কোনো প্রার্থী না দেওয়ায় নেতৃত্বে এক ধরনের শূন্যতা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনীত হলে বিজয়ের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তাঁদের ধারণা, অতীতে জোটের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া আনতে না পারায় এবার পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এ আসনটিতে কাজ করে যাচ্ছি তাছাড়া সাধারণ মানুষও চাচ্ছেন এ আসনটিতে বিএনপি একক প্রার্থী। আমরাও চাই দল যেনো এবার এককভাবে আমাদের মূল্যায়ন করে।
সিলেট, সিলেট-৫ আসন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপি