ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস কাউন্সিল অব বানিয়াচংয়ের আংশিক কমিটি ঘোষণা
তথ্যপ্রযুক্তি-শিক্ষা
প্রকাশঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
চা-শ্রমিক ঝুটন সরকার কারো ব্যবহৃত গরম কাপড় এবং নতুন কম্বল পেয়ে চোখে-মুখে ফুটে ওঠে প্রশান্তির হাসি। তার পরিবারের তিন সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্যটিও পেয়েছে শীতের পোশাক। তার মতো অসংখ্য দিনমজুর চা-শ্রমিকদের কাছে উষ্ণতার পরশ নিয়ে পৌঁছে গেছে ‘স্বপ্নোত্থান’-এর একদল স্বেচ্ছাসেবী।
প্রতিবছরের মতো এবারও সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয়ে পুরাতন শীতবস্ত্র সংগ্রহ এবং আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে গরিব-অসহায় মানুষের কাছে শীতের উষ্ণতা পৌঁছে দিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নোত্থান চালু করেছে ‘স্বপ্নোত্থান উষ্ণতার অভিযান ২০২৫।’
এই উষ্ণতার অভিযান শুরু হয়েছে ২৯ নভেম্বর এবং চলবে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্বপ্নোত্থানের স্বেচ্ছাসেবীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের আবাসিক এলাকা থেকে মানুষের অব্যবহৃত পুরোনো গরম কাপড় ও নগদ অর্থ সংগ্রহ করছেন। সংগৃহীত অর্থ ও শীতবস্ত্র পৌঁছে দেওয়া হবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত সেই মানুষগুলোর হাতে।যাদের হাড়কাঁপানো শীত মোকাবিলার সামান্য প্রস্তুতিও নেই। অনেকের কাছে শীতকাল আনন্দের হলেও তাদের কাছে শীত শুধু দুঃসহ কষ্টের আরেক নাম।
সংগঠনটির সভাপতি মামুন হোসাইন নিলয় বলেন, ‘আমরা সবাই যদি একটু সহযোগিতার হাত বাড়াই, তবে শীতের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। সিলেটের বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিকদের দুর্দশা আমরা সবাই জানি। কনকনে শীতে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। সকলের সহযোগিতা আমাদের এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।’
উল্লেখ্য, ‘দীপশিখা হাতে স্বপ্নের পথে’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০০৭ সালে শাবিপ্রবি প্রাঙ্গণে ‘স্বপ্নোত্থান’ এর যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে সংগঠনটি শিক্ষা, ব্লাড ডোনেশন এবং চ্যারিটি,এই তিনটি সেক্টরে সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
শাবিপ্রবি, সিলেট, উষ্ণতা, অভিযান, স্বপ্নোত্থান