২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক
অনিয়ম-দুর্নীতি
প্রকাশঃ ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১:৪৪ অপরাহ্ন
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেছেন, ‘আমরা মনে করি দুনীর্তির যে প্রকোপ ঘটে প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই তার অনেকাংশেই নিমূর্ল করা সম্ভব। তবে এটাই বাস্তবতা দুনীর্তি সম্পূর্ণভাবে নিমূর্ল করা সময়সাপেক্ষ বা আদৌ নিমূর্ল করা সম্ভব কিনা বলা মুশকিল।’
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯টায় নগরীর রিকাবিবাজারের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে সিলেটে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৯১তম গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘কোন কতৃর্পক্ষের অপরাধ তদেন্তর মাধ্যমে প্রমাণিত হলে আমরা আদালতের মাধ্যমে এর শাস্তি বিধানের চেষ্টা করি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে আমরা যখন জানতে পারি কোথাও দুনীর্তিমূলক কাজ হচ্ছে তখন আমরা এর প্রতিরোধে কাজ করি। আমরা প্রায় প্রতিটি জেলায় যাই, সেখানে সরাসরি নাগরিকবৃন্দের কাছ থেকে অভিযোগ শুনি এবং তাৎক্ষনিক সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা নাগরিকবৃন্দের কাছ থেকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও আর্থিক অনিয়ম বা দুনীর্তি হচ্ছে কি-না সরাসরি জেনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন পরামর্শ দিই যাতে নাগরিকের যে সমস্যাটি হচ্ছে তার যেন সমাধান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক মাসেই আমরা কোন না কোন জেলায় আমরা এরকম আয়োজন করে থাকি। এই বছর আমরা অন্ততপক্ষে আমরা ১ হাজারটি অভিযোগ পেয়েছি এর অনেকগুলোই নিষ্পত্তি হয়েছে বাকিগুলো চলমান রয়েছে।’
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ শীর্ষক এই গণশুনানির আয়োজন করেছে দুদকের সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয়।
গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।
দুনীর্তি, নির্মূল, মুশকিল, দুদক সচিব, সিলেট