০২ মে ২০২৬

দৈনন্দিন / নগরজীবন

জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে সিলেটে তরুণদের অবস্থান কর্মসূচি

প্রকাশঃ ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ৮:১১ অপরাহ্ন


বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার’ নিশ্চিতের দাবিতে সিলেটে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে তরুণ পরিবেশকর্মীরা। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

আন্তর্জাতিক জলবায়ু আন্দোলন ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে এ আয়োজন করে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ।

 

ইয়ুথনেট গ্লোবাল-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী (ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এভিডিয়েন্স জেনারেশন) নাজমুন নাহিদ বলেন, প্রকৃত জলবায়ু ন্যায়বিচার মানে এমন একটি রূপান্তর, যেখানে শ্রমিকদের জীবিকা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত থাকবে, লিঙ্গসমতা নিশ্চিত হবে এবং তরুণদের মতামত নীতিনির্ধারণে প্রাধান্য পাবে।

 

ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী ও কপ-৩০ সরকারি প্রতিনিধিদলের যুব প্রতিনিধি সোহানুর রহমান বলেন, জাস্ট ট্রানজিশন মানে কাউকে পিছনে না ফেলে দূষণ থেকে সমাধানমুখী ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হওয়া। আমাদের ভবিষ্যৎ হওয়া উচিত ন্যায়, কর্মসংস্থান ও মর্যাদার ভিত্তিতে।


ইয়ুথনেট গ্লোবাল-এর সিলেট জেলা সমন্বয়কারী নাজির আহমেদ বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচার মানে ন্যায্যতা—যারা সংকটে সবচেয়ে কম অবদান রেখেছে, তাদের যেন সবচেয়ে বড় মূল্য না দিতে হয়। তিনি বলেন, জ্বালানি রূপান্তর শুধু প্রযুক্তিগত বিষয় নয়, এটি মানুষের অধিকার ও মর্যাদার সঙ্গে জড়িত।

 

অন্যদিকে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি মো. আতিকুর রহমান বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচারের মূল শর্ত হলো অর্থনৈতিক, লিঙ্গ এবং শ্রমিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, জাস্ট ট্রানজিশনে কাউকে পিছনে রাখা যাবে না—তরুণ ও শ্রমিকদের ঐক্যই এই পরিবর্তনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারীরা বৈশ্বিক জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান এবং কপ-৩০-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যায়ভিত্তিক অর্থায়ন ও শ্রমিক–বান্ধব জলবায়ু নীতির পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

জলবায়ু পরিবর্তন, কপ-৩০

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ