২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক
অনিয়ম-দুর্নীতি
প্রকাশঃ ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ৮:৪৩ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
ভিডিওতে দেখা যায়, গত শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা দৌড়ঝাঁপ ও হৈচৈ করছিল। সেই সময় প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের শাসন করতে থাকেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে কান ধরে দাঁড় করান এবং সামনের টেবিলে বসা এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে বারবার আঘাত করেন। এতে মেয়েটির মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে।
এরপরও শিক্ষক তাকে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। রক্ত ঝরার পর তিনি নিজ হাতে টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন, এমনকি ক্লাসের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্তও অন্য এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে পরিষ্কার করান।
আহত ছাত্রীটির বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। শিক্ষক গায়ে হাত তোলার অধিকার রাখে মেনে নিলাম কিন্তু ডাস্টার দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে ফেলার অধিকার তাকে কে দিলো।আমি এর ন্যায়বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।
এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীর ওপর এমন নির্যাতন কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
জগন্নাথপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার অরূপ কুমার রায় বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, “ঘটনার কথা শুনেছি, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।
সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর, প্রধান শিক্ষক