সিলেটে লাশ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টা পরও পরিচয় মেলেনি
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ৫:৪৯ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জ শহরের ওয়েজখালী এলাকায় নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জেরে ঈদের জামাত শেষে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ওয়ারিশ আলী নামের একজনকে খুনের ঘটনার দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ওয়েজখালী এলাকার গমীর বক্সের ছেলে বাদশা মিয়া ও সুনাফর আলীর ছেলে খেলু মিয়া। অন্যদের মধ্যে চারজনকে সাত বছর এবং পাঁচজনকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নুর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া। রায় ঘোষণার সময় খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান পলাতক ছিলেন।
এছাড়া ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
এদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডাদেশ প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছন।
আদালত সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওয়েজখালী এলাকার খোরশেদ কাউন্সিলর ও হায়দার আলীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে ২০১৪ সালের ২৯ জুলাই ঈদের জামাতের শেষে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে হায়দার আলীর ছোট ভাই ওয়ারিশ আলীসহ কয়েকজন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ আগস্ট ওয়ারিশ আলী মারা যান। তার মৃত্যুর পর হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় ভাই হায়দার আলী।
হত্যা মামলা, কারাদণ্ড, বিচার, আদালত, সুনামগঞ্জ, সংঘর্ষ