০৪ মে ২০২৬

দৈনন্দিন

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে সিসিকের ১৩০০ শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ৭ জুন, ২০২৫ ৩:৩০ অপরাহ্ন


সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ১,৩০০ শ্রমিক কাজ করছে। ১২ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে শনিবার ঈদের নামাজের পরপরই কাজ করছে সিসিক। 


এরইমধ্যে ব্যেশ কয়েকটি এলাকা থেকে বর্জ্যবাহী ট্রাক দক্ষিণ সুরমা এলাকায় ডাম্পিং স্টেশনে আসা যাওযা করছে। ১২ ঘন্টা আগেই শনিবার সন্ধ্যার মধ্যেই পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে সিসিক। 


এদিকে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অসপারণের নগরীর ৪৩টি ওয়ার্ডে একটি করে ট্রাক বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত আরও ৬০টি ট্রাক নগরজুড়ে চলাচল করছে। এর আগে কোরবানির পশুর বর্জ্য প্রতিটি ওয়ার্ডের কোথায় ফেলা হবে সে ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখা। যার কারণে খুব বেশি প্রতিবন্ধকতা শিকার হতে হচ্ছে না সিসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের। 


সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, সকাল থেকেই প্রায় ১৩০০ শ্রমিক বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। মূলত কিছুক্ষণ আগে থেকে বর্জ্যগুলো ফেলা শুরু হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে আমাদের শ্রমিকরা কাজ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েক ট্রাক বর্জ্য ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। 


তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বর্জ্য অপসারণ করা যায় সে লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ট্রাক বরাদ্দ করা হয়েছে। তাছাড়াও আরও অতিরিক্ত ৬০টি ট্রাক নগরে সার্বক্ষণিক চলাচল করছে। আবহাওয়াও অনুকূলে রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যার মধ্যেই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। 


এদিকে, শনিবার সকালে ঈদের নামাজের পরপরই সিসিকের কর্মীদের কাজ শুরু করতে দেখা গেছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ব্লিচিং পাউডারসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী, কোদাল এবং পানিবাহী বিশেষ ধরনের গাড়ি ব্যবহার করতেও দেখা গেছে। তাছাড়াও পশুর হাটের বর্জ্যও অপসারণে কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। 


অন্যদিকে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। 


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

সিসিক, বর্জ্য অপসারণ, কোরবানির পশু,

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ