হবিগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে নারীসহ তিনজনের মৃত্যু, আহত ৪
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৩ জুন, ২০২৫ ১:৩৫ অপরাহ্ন
পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তা এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয়ে টেকসই সমাধান হিসেবে ‘এগ্রোভোল্টাইক্স’ প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জলবায়ু ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এ প্রযুক্তির প্রসারে জাতীয় পর্যায়ে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি উঠেছে সুনামগঞ্জে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার (৩ জুন) হাওর এরিয়া আপলিফমেন্ট সোসাইটি (হাউস), উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) এবং বাংলাদেশ প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডাব্লিউজিইডি) এর যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রচারণা কার্যক্রমে আগত জলবায়ু কর্মীরা বিশেষ পোস্টার, মাঠপর্যায়ের কর্মসূচি, ভিডিও বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে এগ্রোভোল্টাইক্স প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
হাউসের নির্বাহী প্রধান সালেহিন চৌধুরি শুভ বলেন, 'বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও কৃষিনির্ভর দেশে জমির পরিমাণ সীমিত। আবার নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এ অবস্থায় এগ্রোভোল্টাইক্স হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একই জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কৃষিকাজ দুটোই চালানো সম্ভব।'
তিনি আরও বলেন, 'এতে জমির অপচয় না ঘটিয়ে কৃষক যেমন ফসল ফলাতে পারছেন, তেমনি বিদ্যুৎও উৎপাদন হচ্ছে। এতে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা একসাথে নিশ্চিত করা যায়।'
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘প্রতিবেশ ও উন্নয়নে তারুণ্য’ এর সভাপতি ফারুক আহমদ, কৃষক নেতা আব্দুল আলী, মাহমুদুল হাসান, শরীফ আহমদ প্রমুখ।
সমাবেশে কৃষক প্রতিনিধিরা বলেন, 'বর্তমান জ্বালানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে জমির সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। এই প্রযুক্তি দেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষি ও জ্বালানি খাতে একযোগে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।'
আয়োজক সংগঠনগুলোর দাবি, সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত জাতীয় পর্যায়ে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যাতে করে কৃষকদের মাঝে এগ্রোভোল্টাইক্স প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয় এবং দেশের জ্বালানি-খাদ্য নিরাপত্তায় একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত করা যায়।
এগ্রোভোল্টাইক্স বাংলাদেশ, কৃষি ও সৌরবিদ্যুৎ, পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সুনামগঞ্জ