
সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের পাগলা বাজার শাখার সহসভাপতি বকুল মিয়াকে সিএনজি চুরির ঘটনায় ‘মিথ্যা স্বীকারোক্তি’ ও যাচাই-বাছাই ছাড়া মামলায় আসামি করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২ জুন) বিকেলে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজার এলাকার একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বকুল মিয়ার পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাঁর ভাই তুয়েল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত কয়েক বছরে পাগলা বাজারসহ আশপাশের এলাকায় একাধিক সিএনজি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিশ্বনাথ থানাধীন লামাকাজী এলাকায় নিজাম উদ্দিন নামের একজন চোর ধরা পড়েন। তাঁর বাড়ি পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন হাজিবাড়ি গ্রামে। চোর নিজাম উদ্দিনকে ধরে এনে একটি চক্র মারধর করে জোরপূর্বক বকুল মিয়াকে চোরচক্রের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি নেয় এবং পরে তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করে।
তুয়েল মিয়ার অভিযোগ, এই জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কোনো ধরনের তদন্ত বা যাচাই-বাছাই ছাড়াই বকুল মিয়ার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করে পুলিশ। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বকুল মিয়াকে চোরচক্রের ‘মূল হোতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি আমার ভাই প্রকৃত অপরাধী হতেন, তবে আমরাও তাঁর বিচার দাবি করতাম। কিন্তু বিনা তদন্তে এভাবে একজন নিরপরাধ শ্রমিক নেতাকে হয়রানি করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমরা মনে করি, বকুল মিয়ার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত একটি কুচক্রী মহল তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এমন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে তুয়েল মিয়া তাঁর নির্দোষ ভাই বকুল মিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানান।
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
সুনামগঞ্জ সিএনজি চুরি, বকুল মিয়া, সংবাদ সম্মেলন, নিরপরাধ আসামি, শ্রমিক নেতা হয়রানি


