
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেছেন, 'শীতল পাটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।'
তিনি বলেন, 'যেসব উপজেলার গ্রামগুলোতে শীতল পাটির কাজ হয়, সেসব জায়গায় কাঁচামাল নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের খাস জমিতে মুর্তা চাষ করা হবে। শুধু শীতল পাটি নয়, বাঁশ-বেত শিল্প, মৃত শিল্পসহ অন্যান্য প্রান্তিক শিল্পের জন্যও প্রয়োজনীয় সব ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে।'
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, 'এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্যে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।'
মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত ‘প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’–এর অবহিতকরণ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পাল। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুচিত্রা রায়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহানুর আলম, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ডা. শতাব্দী রায়, সহকারী কমিশনার নাসরিন আক্তার প্রমুখ।
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
সুনামগঞ্জ শীতল পাটি, প্রান্তিক শিল্প উন্নয়ন, জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, মুর্তা চাষ,


