বানিয়াচংয়ে অসহায় পরিবারের মাঝে আস-সুমাইত ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:৩০ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের একটি পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে প্রায় এক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলার ফায়ার সার্ভিস রোডে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাফিলতি ও অবহেলার কারণে সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরে সমাধান হচ্ছে না। এতে শাল্লা ও বাহাড়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষ প্রতিদিন চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী এবং জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে শাল্লা সরকারি কলেজ, হাসপাতাল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সেবাগ্রহীতারা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা ব্যবহার করছেন। এতে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
শাল্লা উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা জয়ন্ত সিংহ জানান, ‘এই রাস্তাটি আমাদের মারাত্মকভাবে ভোগাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। মাঝেমধ্যে ঠিক করে দেওয়া হলেও কম সময়ের মধ্যেই আবার পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে যায়।’
‘আমাদের যান চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে,’ বলেন জয়ন্ত সিংহ।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়া ও মোহাম্মদ আজিজ মিয়া জানান, ‘প্রায় এক বছর ধরে এই অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতিদিন মানুষ কষ্ট করে চলাচল করছে। আমরা বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাইনি।’
পথচারী মামুন মিয়া নামের এক যুবক বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে বাইক চালাতে হচ্ছে।’ বিশুদ্ধ ওয়াটার ট্যাংকের পাইপলাইনটি মেরামত করে কতৃপক্ষকে দ্রুত সমাধানে কাজ করার কথা জানান তিনি।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে তার কার্যালোয়ে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ফোন করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে দু-একদিনের মধ্যেই পাইপলাইনটি মেরামত করা হবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়ের একটি সূত্রে জানাগেছে।
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। সমাধানের জন্য প্রকৌশলীকে বলে দেওয়া হয়েছে।’
এবিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ খালেকুজ্জামান বলেন, ‘আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রকৌশলীকে বলে দিচ্ছি। এটা টেকনিক্যাল কোন সমস্যা হতে পারে। সমাধান করার জন্য বলে দিচ্ছি।’
সুনামগঞ্জ, শাল্লা উপজেলা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, জনদুর্ভোগ